২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪ আশ্বিন ১৪৩৩

ভ্রমণবিল ২০-২২ দিনের, অফিস করেছেন কখন, দুদক কর্মকর্তার প্রশ্ন

“আবার কিছু কিছু বিল অফিসের রেজিস্ট্রারে তোলা না হলেও এজি অফিসের রেজিস্ট্রারে তোলা হয়েছে। আবার কিছু বিল তোলা হয়নি।”

চট্টগ্রাম ব্যুরো

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 02 Mar 2025, 08:13 PM

Updated : 10 Sep 2026, 12:35 PM

চট্টগ্রামে রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের কয়েকটি কার্যালয়ে অভিযান চালিয়ে ‘অসঙ্গতিপূর্ণ’ ভ্রমণবিল উত্তোলনের প্রাথমিক প্রমাণ পেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) কর্মকর্তারা।

রোববার পাহাড়তলীতে রেলওয়ে পূর্বাঅঞ্চলের বিভাগীয় বাণিজ্যিক কর্মকর্তা, হিসাব নিয়ন্ত্রক অফিসসহ তিনটি কার্যালয়ে অভিযানে কিছু কর্মকর্তার মাসে ২০-২২ দিন ভ্রমণ দেখিয়ে ভাউচার জমার দেওয়া নিয়েও প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। 

অভিযানের নেতৃত্বে থাকা দুদক সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক সায়েদ আলম বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “আমরা গিয়ে কর্মকর্তাদের ভ্রমণ বিল উত্তোলনে বেশকিছু অসঙ্গতি পেয়েছি। বিষয়গুলো ঠিকভাবে রেজিস্ট্রার মেনটেইন করা হয়নি। 

“আবার কিছু কিছু বিল অফিসের রেজিস্ট্রারে তোলা না হলেও এজি অফিসের রেজিস্ট্রারে তোলা হয়েছে। আবার কিছু বিল তোলা হয়নি।”

এছাড়া কিছু অসঙ্গতিপূর্ণ ভাউচারের তথ্য পাওয়া গেছে জানিয়ে তিনি বলেন, “আমরা দেখেছি কিছু কিছু কর্মকর্তা মাসে ২০-২২ দিন ভ্রমণ দেখিয়ে ভাউচার জমা করেছেন। কিন্তু মাসে এতবার ভ্রমণ করলে অফিস করেছেন কখন সেটাও দেখার বিষয়।”

২০২৩-২৪ অর্থবছরে ভাউচার ছাড়া সাড়ে ১০ লাখ টাকা ভ্রমণবিল উত্তোলনের অভিযোগ পেয়ে অভিযান চালানো হয় বলে জানান তিনি। 

সায়েদ আলম বলেন, “অভিযানে আমরা বেশকিছু কাগজপত্র সংগ্রহ করেছি, আরও কিছু কাগজপত্র আমাদের সরবরাহ করতে বলেছি। অনেক টাকার গরমিল দেখা গেছে।” 

“সব কাগজপত্র দেখে তথ্য মিলিয়ে আমরা একটি প্রতিবেদন জমা দেব,” বলেন দুদকের এই কর্মকর্তা।