Published : 16 Jan 2026, 03:04 PM
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী সরকারের দায়িত্ব স্মরণ করিয়ে দিয়ে বলেছেন, তাদের কাজ জনগণকে ভোটদানে উদ্বুদ্ধ করা। কিন্তু কেবলমাত্র বিশেষ কোনো কারণে সরকারের ভোট দেওয়ার কথা বলা ‘উচিত নয়’ বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।
শুক্রবার দুপুরে চট্টগ্রাম নগরীর নাসিরাবাদ সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে মাইজভাণ্ডারী একাডেমি আয়োজিত শিশু কিশোর সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এই মন্তব্য করেন।
আমীর খসরু বলেন, তিনি বলেন, “সরকারের দায়িত্ব হচ্ছে, জনগণকে উদ্বুদ্ধকরণ ভোট দেওয়ার জন্য। কোনো বিশেষ কারণে ভোট দেওয়ার কথা সরকারের বলা উচিত না। সরকারের লোকজনের বলা উচিত না। সরকারের উচিত জনগণকে বলা, ভোট দেওয়ার জন্য।
“ভোট বলতে, সব ব্যাপারে ভোট। কোন বিশেষ ক্ষেত্রে ভোট দেবে, কথা বলবে আবার একটাকে বাইরে রাখবে, এ ধরনের কথাবার্তা ভালো না। মানুষের মনে বিভিন্ন সন্দেহের উদ্রেক করে এ ধরণের কথাবার্তা কেউ বললে।”
জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের বৈঠকে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের না থাকা নিয়ে জানতে চাইলে আমীর খসরু বলেন, “সেটাতে আমাদের মন্তব্য করার কিছু নাই। ওদের জোটের মধ্যে কি হবে না হবে সেটার উত্তর তো তারা দিতে পারবে। এই উত্তর তো আমরা দিতে পারব না।
“ওদের জোটের মধ্যে কি হচ্ছে না হচ্ছে এ বিষয়ে আমাদের কোন মতামতও নাই। আমাদের কোনো ইচ্ছাও নাই এ ব্যাপারে মতামত দেওয়ার। কিন্তু সবচেয়ে বড় কথা হচ্ছে, আমাদেরকে বলতে হবে জনগণকে উদ্বুদ্ধ করতে হবে ভোটের জন্য।”

সরকারের উদ্দেশে তিনি বলেন, “সুতরাং আমি সরকারকে বলব, ভোট দেওয়ার জন্য জনগণকে আপনারা উৎসাহিত করুন। সার্বিকভাবে সব ভোটের কথা বলতে হবে। কোন বিশেষ ভোটের কথা বলবেন আবার অন্য ভোটের, সাধারণ মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের যে ভোট বিভিন্ন দলকে যে ভোট দিবে এটাই তো আসল ভোট, তাই না।
“সেই কথা না বলে, খালি এক ভোটের কথা বলবেন আরেক ভোটের কথা বলবেন না। আমরা সব ভোটের কথা বলতে বলতেছি। সার্বিকভাবে জনগণকে বলতে হবে, আপনার ভোট প্রয়োগ করুন। এটাই সরকারের কাজ উৎসাহিত করা। কোন বিশেষ ভোটের কথা কিংবা আরেকটা বাদ দিয়ে তাদের মন্তব্য এগুলো জনগণ খুব ভালো ভাবে নিচ্ছে না।”
অনুষ্ঠানে উদ্বোধক হিসেবে সিটি মেয়র শাহাদাত হোসেন এবং অতিথি দৈনিক আজাদী সম্পাদক এম এ মালেক বক্তব্য রাখেন।
সেখানে আরও উপস্থিত ছিলেন শিশু কিশোর সমাবেশ উদযাপন পরিষদের প্রধান সমন্বয়ক এইচ এম রাশেদ খান এবং শাহানশাহ হযরত জিয়াউল হক মাউজভাণ্ডারী ট্রাস্টের সচিব অধ্যাপক এ ওয়াই এমডি জাফর।