পুলিশের সঙ্গে ‘গোলাগুলির’ পর বড় সাজ্জাদের ২ অনুসারী গ্রেপ্তার
ঘোষণা দিয়ে নগর পুলিশের চালানো ‘এস ড্রাইভ’ অভিযান সফল হচ্ছে বলে দাবি করেন তিনি।
চট্টগ্রামে পুলিশের সঙ্গে ‘গোলাগুলির’ পর অস্ত্র-গুলিসহ দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, যারা বড় সাজ্জাদের অনুসারী বলে পুলিশের ভাষ্য।
মঙ্গলবার ভোরে নগরীর বায়েজিদ বোস্তামী থানার চালিতাতলী এলাকায় এ ঘটনায় গ্রেপ্তার দুইজন হলেন- ইসতিয়াক হোসেন ইমন (২২) ও মো. জসীম (৩৫)।
বিকালে দামপাড়ায় চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের (সিএমপি) সদরদপ্তরে সংবাদ সম্মেলনে অতিরিক্ত কমিশনার ওয়াহিদুল হক চৌধুরী সাংবাদিকদের বলেন, বায়েজিদ চালিতাতলী এলাকায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে একটি বাসায় ভোররাতে অভিযান চালায় পুলিশ। এসময় পুলিশকে লক্ষ্য করে বাসার ভেতরে থাকা ব্যক্তিরা গুলি ছুঁড়লে পুলিশও পাল্টা গুলি ছোড়ে।
অভিযানের সময় গুলিবিদ্ধ জসীমকে ‘সন্ত্রাসী’ হিসেবে তুলে ধরে তিনি দুইজনকে গ্রেপ্তারের তথ্য দেন।
পুলিশ কর্মকর্তা ওয়াহিদুল বলেন, ঘটনাস্থল থেকে দুটি বিদেশি পিস্তল, তিনটি পিস্তলের ম্যাগাজিন, একটি ম্যাগাজিনসহ বিদেশি এসএমজি, একটি দেশি পাইপগান, ৪৫৫ রাউন্ড পিস্তলের ও ১৪ রাউন্ড শর্টগানের কার্তুজ এবং পুলিশকে লক্ষ্য করে ছোড়া শট গানের খালি কার্তুজও উদ্ধার করা হয়।
এছাড়া বাসাটি থেকে ধারালো দেশি অস্ত্র ও ৮৮০ পিস ইয়াবা, বডি ওর্ণ ক্যামেরাসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম জব্দ করার তথ্য দেন তিনি।
অরিতিরক্ত পুলিশ কমিশনার ওয়াহিদুলের দাবি, গ্রেপ্তার দুজন সাজ্জাদের অনুসারী। তারা বেশ কয়েকজনের নামও বলেছেন। যারা এসব অস্ত্র ও গুলি ব্যবহার করেন এবং মাদক সেবনের জন্য সেখানে আসেন।
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, জনগণের মনে নিরাপত্তার আস্থা সৃষ্টির জন্য এ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। এতে তারা সফল হচ্ছেন।
পাশাপাশি ব্যবসায়ী মুজিবুর রহমানের বাসায় গুলি ছোড়ার ঘটনায় ব্যবহৃত অস্ত্রের বিষয়েও তথ্য পাওয়ার কথা জানান তিনি।
ঘোষণা দিয়ে নগর পুলিশের চালানো ‘এস ড্রাইভ’ অভিযানকে সফল দাবি করে তিনি বলেন, “এ অভিযানের কারণেই গতকাল ভালো একটি অভিযান চালিয়েছি। অভিযান চলমান আছে।”
নগর পুলিশের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বায়েজিদ বোস্তামী থানাধীন চালিতাতলি বাজারের পার্শ্বে আমিন উল্লাহ হাজী বাড়িতে ইদ্রিসের মালিকানাধীন ইকবাল ওরফে কেইস ইকবালের ভাড়াঘরে সাজ্জাদের অনুসারী সন্ত্রাসীরা অবস্থান করছে খবর পেয়ে এ অভিযান চালানো হয়।
পুলিশের সঙ্গে গোলাগুলির পর দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হলেও ‘কেইস’ ইকবালসহ অন্যরা পালিয়ে গেছে বলে জানানো হয়।
