Published : 22 Jul 2026, 12:33 PM
কার্প জাতীয় মাছের প্রাকৃতিক প্রজনন ক্ষেত্র হালদা নদীতে পাঁচ ঘণ্টা অভিযান চালিয়ে সাড়ে ছয় হাজার মিটার জাল জব্দ করেছে মৎস্য অধিদপ্তর।
অভিযানে নেতৃত্ব দিয়েছেন হাটহাজারী জ্যেষ্ঠ উপজেলা মৎস্য অফিসার মো. শওকত আলী। তিনি বলেন, মঙ্গলবার রাত ৮টা থেকে ২টা পর্যন্ত হালদা নদীর খলিফা ঘোনা থেকে ছিপাতলি পর্যন্ত অংশে অভিযান চালানো হয়।
“অভিযানে ছয়টি অবৈধ চরঘেরা জালও একটি ভাসা জাল, দুইটা বড়শি জব্দ করা হয়। অবৈধ জালগুলোর দৈর্ঘ্য প্রায় সাড়ে ছয় হাজার মিটার এবং আনুমানিক বাজার মূল্য তিন লাখ টাকা হবে।"
মো. শওকত আলী বলেন, রাতে হালদা নদীতে অনেক জাল ফেলছে, এই তথ্য জেনেই অভিযান চালানো হয়। সাম্প্রতিক বন্যায় অনেক জলাশয়ের মাছ ভেসে নদীতে এসেছে।

"নদীতে পানিও বেশি। তাই চোরা শিকারীরা রাতের অন্ধকারে জাল পেতে রাখে। ভোরের দিকে জাল তুলে নেয়। একারণে অভিযানের সময় কাউকে পাওয়া যায়নি।"
হালদা নদী সরকার ঘোষিত মৎস্য হেরিটেজ ও কার্প জাতীয় মাছের প্রাকৃতিক প্রজনন ক্ষেত্র।
মা মাছের প্রজনন পরিবেশ সুরক্ষায় ও হালদা নদীর অন্যান্য মাছ রক্ষায় নিষিদ্ধ জালের বিরুদ্ধে এই অভিযান চালানো হয় বলে জানিয়েছে মৎস্য অধিদপ্তর।

মো. শওকত আলী বলেন, "নিয়মিত অভিযান পরিচালনার মাধ্যমে হালদা নদী কার্প সহ সকল মাছের নিরাপদ আশ্রয়স্থল হবে।হালদা নদীর মৎস্য সম্পদ ও বায়োডাইভারসিটি রক্ষায় এবং অবৈধ মা মাছ শিকার ও ধংসাত্বক জাল থেকে মিঠা পানির প্রজনন ক্ষেত্র রক্ষায় অভিযান অব্যাহত থাকবে।"
বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা আইডিএফের স্পিডবোড ব্যবহার করা হয় অভিযানে।
অভিযানে মৎস্য অধিদপ্তরের ক্ষেত্র সহকারী লিংকন চৌধুরী ও হালদা প্রকল্পের পাহারাদার শহীদুল্লাহ, সেকান্দার,তানভীর, আদিল এবং আইডিএফের পাহারাদার ঝন্টু বড়ুয়া অংশ নেন।