Published : 11 Feb 2026, 12:07 PM
হারভাজান সিং আগেই বলেছিলেন, পাকিস্তান স্রেফ নাটক করছে, ভারতের বিপক্ষে ম্যাচে তারা ঠিকই খেলবে। সেটিই মনে করিয়ে দিয়ে ভারতের অফ স্পিনিং গ্রেট বলছেন, আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ এত বেশি যে পাকিস্তানকে ম্যাচটি খেলতে হতোই।
ভার-পাকিস্তান ম্যাচ নিয়ে বেশ কয়েক দিনের টানাপোড়েনের পর অনিশ্চয়তা কেটেছে গত সোমবার। লাহোরে আইসিসির সঙ্গে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড ও বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের বৈঠকের পর বদলে গেছে দৃশ্যপট। আইসিসি জানিয়েছে, বিশ্বকাপে না খেলায় বাংলাদেশকে কোনো শাস্তি দেওয়া হবে না। পাকিস্তান সরকার জানিয়েছে, বর্জনের ঘোষণা থেকে সরে এসে ভারতের বিপক্ষে ম্যাচটি খেলবে তারা।
এরপর হারভাজানের প্রতিক্রিয়া তো অনুমিতই। প্রতিক্রিয়া প্রকাশে বরাবরই খোলামেলা তিনি। ভারতীয় সংবাদ সংস্থা এএনআইকে তিনি বললেন, নিজেদের বাস্তবতা বুঝেই পাকিস্তান সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
“আমার মনে হয়, অনেক দেরিতে হলেও তারা বুঝে গিয়েছিল যে, তাদেরকে ছাড়াও টুর্নামেন্ট চলবে, কিন্তু ভারতকে ছাড়া নয়। তারা অনেক কিছু্ই বলছিল যে তারা বাংলাদেশের পাশ থাকবে এবং খেলবে না বা এই ধরনের কথা। এটাই যদি ভাবনা হয়, তাহলে করে দেখাক!”
“আমরা আগেও বলেছি, তারা এটা করবে না। আগেই বলেছি, তারা ইউ-টার্ন নেবে এবং খেলবে। কারণ আর্থিক ক্ষতি এখানে অনেক বেশি এবং অর্থের কথা ভাবলেই তারা কাকুতি-মিনতি করে খেলতে আসবে।”
ভারতের হয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ৭০৭ উইকেট নেওয়া বোলার ও প্রথম টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপজয়ী দলের সদস্য এই স্পিনারে মতে, নিজেদের সম্ভাব্য শাস্তির কথা ভেবেই পাকিস্তান করণীয় বুঝে নিয়েছে।
“সেটিই তো হয়েছে… কারণ আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ অনেক বেশি এবং তারা ভবিষ্যতে নিষিদ্ধও হতে পারত। আইসিসি তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনতে পারত এবং হয়তো ভবিষ্যতে কোনো টুর্নামেন্ট আয়োজন করতে পারত না। এজন্যই ইউ-টার্ন নিয়েছে তারা।’
ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ বর্জনের ঘোষণা দেওয়ার পর এই মাসের শুরুতে হারভাজান বলেছিলেন, “যদি সত্যিই তারা মনে করে, এরকম কিছু করতে পারবে (বর্জন), তাহলে অনড় থাকুক। দেখা যাক, সত্যিই সাহস আছে কিনা। এটা একটা সম্পূর্ণ নাটক যা মানুষকে বিভ্রান্ত করার জন্য তৈরি করা হয়েছে, এটা বোঝাতে যে তারা বাংলাদেশের সঙ্গে আছে।”
পিসিবি প্রধান মহসিন নাকভিও শেষ পর্যন্ত মঙ্গলবার বলেছেন, বাংলাদেশের পাশে থাকতেই তারা ম্যাচ বর্জনের কথা বলেছিলেন।