কার্তিকের তাণ্ডবে নিজের পজিশন নিয়ে 'চিন্তিত' সূর্যকুমার

সতীর্থের ব্যাটিং পারফরম্যান্সের প্রশংসা করতে গিয়ে এমন কথা বলেছেন সূর্যকুমার যাদব।

স্পোর্টস ডেস্কবিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
Published : 5 Oct 2022, 12:43 PM
Updated : 5 Oct 2022, 12:43 PM

টি-টোয়েন্টিতে ভারতের চার নম্বর ব্যাটিং পজিশনে এখন নিয়মিত দেখা যায় সূর্যকুমার যাদবকে। কিন্তু দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে সিরিজের শেষ ম্যাচে এই জায়গায় খেলতে নেমে ঝড় তোলেন দিনেশ কার্তিক। সতীর্থের পারফরম্যান্সের প্রশংসা করতে গিয়ে একটু মজা করে সূর্যকুমার বললেন, তার ব্যাটিং পজিশন এখন হুমকির মুখে।

ইন্দোরে মঙ্গলবার প্রোটিয়াদের বিপক্ষে তৃতীয় ও শেষ টি-টোয়েন্টিতে দলের ব্যাটিং লাইন আপে পরিবর্তন আনে ভারত। ২২৮ রানের লক্ষ্য তাড়ায় চারে নামানো হয় কার্তিককে।

এই সংস্করণে জাতীয় দলে কার্তিকের ভূমিকা মূলত ফিনিশারের। ছয়-সাতেই বেশি ব্যাটিং করতে দেখা যায় তাকে। উপরে খেলার সুযোগ পেয়ে তা দুই হাতে লুফে নেন ডানহাতি ব্যাটসম্যান। ২১ বলে ৪টি করে চার-ছক্কায় খেলেন ৪৬ রানের বিস্ফোরক ইনিংস।

চার নম্বরে নেমে আগের দুই ম্যাচেই ফিফটি করে দলের জয়ে ভূমিকা রেখেছিলেন সূর্যকুমার। পাঁচে নেমে এ ম্যাচে ব্যর্থ ছিলেন তিনি। এক ছক্কায় ৬ বলে রান করতে পারেন স্রেফ ৮। ভারত ম্যাচ হেরে যায় ৪৯ রানে। সিরিজ অবশ্য ২-১ ব্যবধানে জিতে নেয় স্বাগতিকরাই।

পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে সিরিজ সেরা সূর্যকুমার হাসিমুখে বলেন, চার নম্বরে কার্তিকের তাণ্ডব তার পজিশনকে ঝুঁকিতে ফেলে দিয়েছে।

“আমাকে এক ধাপ নিচে নেমে তার সঙ্গে জুটি গড়তে হতো। কিন্তু আজ সেটা কাজে দেয়নি। দিনেশ কার্তিকের গেম টাইমের প্রয়োজন ছিল। আমার মনে হয়, আজ সে যেভাবে খেলল, আমার চার নম্বর পজিশনই এখন ঝুঁকিতে।”

এখন পর্যন্ত ভারতের হয়ে ৩২ টি-টোয়েন্টি ইনিংসে সূর্যকুমার চার নম্বরে খেলেছেন ১৭ বার। এই সংস্করণে তার ৯ ফিফটির পাঁচটিই এই পজিশনে। একমাত্র সেঞ্চুরিও তিনি করেছেন চারে নেমেই।

মোট ৩৬ টি-টোয়েন্টি খেলা সূর্যকুমারের রান ১ হাজার ৪৫, স্ট্রাইক রেট ১৭৬.৮১। চলতি বছর ৫১ ছক্কা মেরেছেন তিনি। গড়েছেন এক পঞ্জিকাবর্ষে সবচেয়ে বেশি ছক্কার বিশ্ব রেকর্ড।

তবে এসব পরিসংখ্যানে নজর দেন না সূর্যকুমার। বললেন, উপভোগ করতেই খেলেন ক্রিকেট।

“আমি আসলে পরিসংখ্যান দেখি না। আমার বন্ধুরা হোয়াটসঅ্যাপে এসব পাঠায়, কিন্তু আমি সেসব দেখি না। (এই সিরিজেও) আমার ভাবনা একই ছিল, আমি কেবল উপভোগ করতে চেয়েছি।”

তৌফিক ইমরোজ খালিদী
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক