১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩ আশ্বিন ১৪৩৩

কম রানের ম্যাচে দারুণ বোলিংয়ে তাসকিনের ২ উইকেট

আইএল টি-টোয়েন্টিতে চার ম্যাচে এই প্রথম নিজের সেরাটা মেলে ধরতে পারলেন বাংলাদেশের তারকা পেসার, যদিও হেরে গেল তার দল।

কম রানের ম্যাচে দারুণ বোলিংয়ে তাসকিনের ২ উইকেট
আসরে চার ম্যাচে তাসকিন আহমেদের উইকেট হলো ৬টি। ছবি: শারজাহ ওয়ারিয়র্জ ফেইসবুক

স্পোর্টস ডেস্ক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 21 Dec 2025, 12:02 AM

Updated : 26 Aug 2026, 05:22 PM

ব্যাটসম্যানদের ব্যর্থতায় দল গুটিয়ে গেল একশর নিচে। অল্প পুঁজি নিয়ে খুব বেশি কিছু হয়তো করার ছিল না। তারপরও চমৎকার বোলিংয়ে দুটি উইকেট নিলেন তাসকিন আহমেদ।

আইএল টি-টোয়েন্টিতে চার ম্যাচে এই প্রথম নিজের সেরাটা মেলে ধরতে পারলেন বাংলাদেশের তারকা পেসার। লড়াই করে হেরে গেল তার দল শারজাহ ওয়ারিয়র্জ।

দুবাই আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে শনিবার ডেজার্ট ভাইপার্সের বিপক্ষে ওয়ারিয়র্জ হেরেছে ৪ উইকেটে। তাদের ৯০ রান ৩৭ বল হাতে রেখে পেরিয়ে যায় ভাইপার্স।

নিজের প্রথম দুই ওভারে স্রেফ ৬ রান দিয়ে ২ উইকেট শিকার করেন তাসকিন। ৪ ওভারে তিনি দেন মোট ২০ রান।

আসরে তাসকিন তার প্রথম ম্যাচে ৪ ওভারে ৩৯ রান দিয়ে উইকেটশূন্য ছিলেন। পরের ম্যাচে ৪ ওভারে ৩৪ রান দিয়ে নিতে পারেন একটি উইকেট। তৃতীয় ম্যাচে ৩ উইকেট নিতে পারলেও, ৪ ওভারে দিয়ে ফেলেন ৪০ রান। অবশেষে স্বরূপে দেখা গেল তাকে।

বোলারদের জন্য সহায়তা ছিল উইকেটে। বল গ্রিপ করছিল, ব্যাটে আসছিল থেমে থেমে।

দ্বিতীয় ওভারে বোলিং পান তাসকিন। প্রথম বলে কোনো রান নিতে পারেননি ফাখার জামান। পরের বলে লেংথ ডেলিভারি উড়িয়ে মারার চেষ্টায় আকাশে তুলে দেন পাকিস্তানের বাঁহাতি ব্যাটসম্যান। মিড-অনে দুইবারের চেষ্টায় ক্যাচ নেন ফিল্ডার। 

পরের তিন বলে কোনো রান নিতে পারেননি আরেক পাকিস্তানি ব্যাটসম্যান হাসান নাওয়াজ। শেষ বলে সিঙ্গল নেন তিনি।

তাসকিনের পরের ওভারের প্রথম বলে সিঙ্গল নেন ম্যাক্স হোল্ডেন। দ্বিতীয় বলে রান নিতে পারেননি নাওয়াজ। পরের বলে শর্ট অব লেংথ ডেলিভারিতে কিপারের গ্লাভসে ধরা পড়েন ২৩ বছর বয়সী ব্যাটসম্যান।

তাসকিনের বোলিং ফিগার তখন ১.৩-০-২-২!

ওই ওভারের চতুর্থ বলে চার মারেন স্যাম কারান, মোট রান আসে ৫। 

টানা স্পেলে নিজের তৃতীয় ওভারে ৮ রান দেন তাসকিন। তাকে দুটি চার মারেন কারান। বাকি চার বলে কোনো রান নিতে পারেননি এই ইংলিশ অলরাউন্ডার। 

নিজের কোটার শেষ ওভারটি তাসকিন করেন ইনিংসের দশম ওভারে। এবার ছয় বলে আসে শুধু ছয়টি সিঙ্গল।

অন্য বোলারদেরও অবদানে প্রতিপক্ষকে কিছুটা চাপে ফেলতে পারলেও নাটকীয় কিছু করতে পারেনি ওয়ারিয়র্জ। 

ব্যাটিং এদিন খুবই বাজে হয় তাদের। একশর নিচে গুটিয়ে যাওয়ার মতো ভয়ঙ্কর কোনো উইকেট ছিল না। তিন নম্বরে নেমে ৩৬ বলে ৩৫ রানে অপরাজিত রয়ে যান টম অ্যাবেল। দুই অঙ্কে যেতে পারেন আর কেবল একজন, ইথান ডি’সুজা (১৮)।

শেষ ব্যাটসম্যান হিসেবে নেমে তাসকিন ৪ বলে করেন ২ রান। পরে বোলিংয়ে দলের সফলতম বোলার তিনিই।

সাত ম্যাচের পাঁচটি হেরে ও দুটি জিতে ৪ পয়েন্ট নিয়ে ছয় দলের মধ্যে সবার নিচে আছে ওয়ারিয়র্জ। আট ম্যাচের সাতটি জিতে ১৪ পয়েন্ট নিয়ে চূড়ায় ভাইপার্স।