১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২ আশ্বিন ১৪৩৩

‘বিশ্বকাপ না জিতলে সরিয়ে দেওয়া উচিত গাম্ভিরকে’

প্রবল সমালোচনার মধ্যে থাকার ভারতীয় কোচ গৌতাম গাম্ভিরের জন্য কঠিন পরীক্ষা হতে পারে এবারের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ।

স্পোর্টস ডেস্ক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 03 Feb 2026, 05:44 PM

Updated : 26 Aug 2026, 02:48 PM

টেস্ট পারফরম্যান্স চরম হতাশাজনক। ওয়ানডের পারফরম্যান্স প্রশ্নবিদ্ধ। ভরসা কেবল টি-টোয়েন্টি। এই সংস্করণে গৌতাম গাম্ভিরের কোচিংয়ে ভারত ছুটতে অপ্রতিরোধ্য গতিতে। তবে সেই ছুটে চলায় বড় পরীক্ষা হতে পারে এবারের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। ভারতের সাবেক ব্যাটসম্যান মানোজ তিওয়ারির মতে, বিশ্বকাপ জিততে না পারলে বরখাস্ত করা হবে গাম্ভিরকে।

নিউ জিল্যান্ডের বিপক্ষে চলতি টি-টোয়েন্টি সিরিজে প্রথম তিন ম্যাচেই সিরিজ জয় নিশ্চিত করেছে ভারত। তবে এই সিরিজের আগে ওয়ানডে সিরিজেই তারা হেরে গেছে খর্বশক্তির নিউ জিল্যান্ডের কাছে। 

গাম্ভিরের কোচিংয়ে এই কিউইদের কাছেই টেস্ট সিরিজে ৩-০ ব্যবধানে হারের অভাবনীয় স্বাদ পেতে হয়েছিল ভারতকে। গত নভেম্বরে ভারত দেশের মাঠে টেস্ট সিরিজে হোয়াইটওয়াশড হয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার কাছেও। গত বছর ইংল্যান্ডের মাঠে সিরিজ ড্র করতে পারলেও এর আগে হেরেছে অস্ট্রেলিয়ায় বোর্ডার-গাভাস্কার ট্রফিতে। গত অক্টোবরে অস্ট্রেলিয়াতে হেরেছে তারা ওয়ানডে সিরিজেও।

কেবল টি-টোয়েন্টিতেই গাম্ভিরের কোচিংয়ে কোনো সিরিজ হারেনি ভারত। এখন তাদের সামনে চ্যালেঞ্জ দেশের মাঠে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের শিরোপা ধরে রাখা।

সাবেক ব্যাটসম্যান ও পশ্চিবঙ্গের যুব ও ক্রীড়ামন্ত্রী তিওয়ারি ইনসাইড স্পোর্টসকে বললেন, বিশ্বকাপ না জিততে পারলে জাতীয় দলে গাম্ভির অধ্যায়ের শেষ হয়ে যাবে। 

“ভারত যদি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জিততে না পারে, তাহলে আমার মতে হয় বিসিসিআইয়ের উচিত গৌতাম গাম্ভিরকে নিয়ে বড় ও কঠিন সিদ্ধান্ত নেওয়া। যদিও বিসিসিআই সচিব বলেছেন, চুক্তির মেয়াদ পূর্ণ করবেন গাম্ভির এবং তাকে সরিয়ে দেওয়ার প্রশ্নই ওঠে না। তবে আমার মনে হয়, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ফলাফল পক্ষে না এলে বিসিসিআই বড় সিদ্ধান্ত নেবে এবং তাকে সরিয়ে দেওয়া হবে।”

তিওয়ারি বরাবরই গাম্ভিরের কোচিংয়ের ধরনের বড় সমালোচক। বিশেষ করে আইপিএলের বাইরে তার কোচিং কার্যকর নয় বলেই মনে করেন তিনি। 

ভারতের হয়ে ১৫টি আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলা এই সাবেক ক্রিকেটারের মতে, ভারতীয় বোর্ডের উচিত ভিভিএস লক্ষ্মনকে কোচের দায়িত্ব দেওয়া। 

“আমার মনে হয়, এক্ষেত্রে প্রক্রিয়া অনুসরণ করা উচিত। রাহুল দ্রাবিড় যখন কোচ ছিলেন এবং কোনো কোনো সফরে তিনি যেতেন না, তখন ভিভিএস লক্ষ্ননই তো কোচ হিসেবে। দ্রাবিড়ের পর তারই কোচ হওয়া উচিত ছিল সহজাত প্রক্রিয়ায়।”

“আমার মনে হয়, বোর্ডের উচিত লক্ষ্ননকে রাজি করানো, কারণ সে ঠাণ্ডা মাথার মানুষ, খুবই ভালো মানুষ। কোচিংয়ের অনেক অভিজ্ঞতা তো আছেই। তাকে দায়িত্ব নিতে রাজিত করানো উচিত বোর্ডের।”