১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২ আশ্বিন ১৪৩৩

ভারতের ৬০০তম টেস্টে নেতৃত্ব দেওয়ার গর্ব নিয়ে ফাইনালে তাকিয়ে গিল

দেশের স্বাধীনতা দিবসে নিজেদের ৬০০তম টেস্ট খেলতে নামছে ভারতীয় দল।

ভারতের ৬০০তম টেস্টে নেতৃত্ব দেওয়ার গর্ব নিয়ে ফাইনালে তাকিয়ে গিল
শুবমান গিল। ছবি: ইন্ডিয়ান ক্রিকেট টিম ফেইসবুক

স্পোর্টস ডেস্ক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 14 Aug 2026, 07:07 PM

Updated : 11 Sep 2026, 03:50 PM

শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে গল টেস্টে দলকে নেতৃত্ব দিতে মুখিয়ে আছেন শুবমান গিল। এই ম্যাচের বাড়তি একটি তাৎপর্য রয়েছে, ক্রিকেটের দীর্ঘতম সংস্করণে ভারতের ৬০০তম ম্যাচ হবে এটি। মাইলফলকের ম্যাচটি খেলতে নামছে তারা দেশের স্বাধীনতা দিবসে। এমন এক ম্যাচে দলকে নেতৃত্ব দিতে পারাটা গিলের কাছে বিশেষ কিছু। আইসিসি টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে খেলার লক্ষ্যে এখান থেকেই সবকিছু আবার নতুন করে শুরু করতে চান তিনি। 

দুই টেস্টের সিরিজের প্রথমটি শুরু হবে শনিবার। আগের দিন এই ম্যাচের বাড়তি গুরুত্ব তুলে ধরেন ভারত অধিনায়ক গিল, যিনি এখন পর্যন্ত ৯টি টেস্টে দলকে নেতৃত্ব দিয়েছেন।  

“নিঃসন্দেহে, আমাদের ৬০০তম টেস্ট ম্যাচে আমার দেশকে নেতৃত্ব দেওয়া আমার জন্য বড় সম্মান ও সৌভাগ্যের বিষয়, আর স্বাধীনতা দিবসে এটি করতে পারাটা আরও বেশি স্পেশাল।”

২০২৫-২৭ চক্রের আইসিসি টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের পয়েন্ট টেবিলে ভারত আছে পাঁচ নম্বরে। ৯ ম্যাচের কেবল চারটিতে জিতেছে প্রথম দুই চক্রের ফাইনালে খেলা দলটি। আবার ফাইনালে খেলতে হলে বাকি ম্যাচগুলোতে খুব ভালো করতে হবে তাদের। গিল আশাবাদী, তার দল তা করতে পারবে। তার বিশ্বাস, শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সিরিজের ভালো ফলাফল সেই পথে ছুটে চলার সূচনা হতে পারে।

“আমার দৃষ্টিকোণ থেকে, গত এক বছরে আমরা যেভাবে উন্নতি করছি, তা খুবই সন্তোষজনক এবং আমি মনে করি, আমরা সঠিক দিকেই সব সঠিক পদক্ষেপ নিচ্ছি। স্পষ্টতই মূল লক্ষ্য হলো টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে খেলা। আমাদের ৯টি টেস্ট খেলতে হবে এবং আমার মনে হয়, (ফাইনালে) যোগ্যতা অর্জনের ভালো সুযোগ পেতে হলে আমাদের ছয় বা সাতটি ম্যাচ জিততে হবে। সেই হিসেবে, আমি মনে করি এটি আমাদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ সিরিজ এবং এই সিরিজের আগে আমরা ভালো প্রস্তুতি নিয়েছি।”

গত বছর ঘরের মাঠে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ২-০ ব্যবধানে সিরিজ হারের পর, কক্ষপথে ফেরার চেষ্টায় শ্রীলঙ্কা সফরে কোনো ঝুঁকি নিতে চায়নি ভারত। সেখানকার কন্ডিশনের সাথে মানিয়ে নিতে তারা প্রথম টেস্টের ১০ দিন আগে শ্রীলঙ্কায় পৌঁছায়। প্রথম টেস্টের আয়োজক শহর গলে প্রায় পূর্ণ পাঁচ দিন সময় পাওয়ার আগে তারা কলম্বোতে একটি তিন দিনের প্রস্তুতি ম্যাচ খেলে শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট একাদশের বিপক্ষে।

দীর্ঘ প্রস্তুতি তাদের মানিয়ে নিতে সাহায্য করেছে বলে মনে করেন গিল।

“খেলোয়াড়দের জন্য মানিয়ে নেওয়া কখনোই সহজ নয়। আমার মনে হয়, এই দলের বেশিরভাগ খেলোয়াড়েরই কন্ডিশনের সাথে মানিয়ে নিতে কিছুটা সময় প্রয়োজন। এমন নয় যে, অনেক খেলোয়াড়েরই অনেক ম্যাচ খেলার বা প্রচুর অভিজ্ঞতা আছে, তাই প্রস্তুতির জন্য বাড়তি সময় পাওয়াটা অবশ্যই সাহায্য করে।”