১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩ আশ্বিন ১৪৩৩

কাউন্টি খেলার অভিজ্ঞতায় আত্মবিশ্বাসী শাফিক

ইংলিশ কন্ডিশনের সঙ্গে মানিয়ে নিয়ে ভালো করার আশায় আছেন পাকিস্তানের টপ অর্ডার ব্যাটসম্যান।

কাউন্টি খেলার অভিজ্ঞতায় আত্মবিশ্বাসী শাফিক
ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ব্যাটিংয়ের সময় আবদুল্লাহ শাফিক। ছবি: শাফিকের ফেইসবুক

স্পোর্টস ডেস্ক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 13 Aug 2026, 07:49 PM

Updated : 11 Sep 2026, 03:50 PM

ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ছয়টি টেস্ট খেলেছেন আবদুল্লাহ শাফিক, সবগুলোই ঘরের মাঠে। এবার ইংলিশ কন্ডিশনে ক্রিকেটের অভিজাত সংস্করণে খেলার সুযোগ তার সামনে। নতুন এই চ্যালেঞ্জে কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশিপে খেলার অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে ভালো করতে আত্মবিশ্বাসী পাকিস্তানের টপ অর্ডার ব্যাটসম্যান।

লম্বা সময় টেস্ট দলের বাইরে থাকার পর, দুই সতীর্থের চোটে ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরের মাঝপথে দলে ফেরেন শাফিক। পোর্ট অব স্পেনে সিরিজের শেষ ম্যাচে একাদশেও সুযোগ পেয়ে যান তিনি। দারুণ এক সেঞ্চুরিতে সেই সুযোগ কাজে লাগান ডানহাতি ব্যাটসম্যান।

ক্যারিবিয়ানদের বিপক্ষে ওই ম্যাচের প্রথম ইনিংসে অপরাজিত ১৬০ রান করেন শাফিক। ২০২৪ সালের অক্টোবরের পর যা তার প্রথম সেঞ্চুরি। আর ১৯৭৭ সালের পর, ওয়েস্ট ইন্ডিজের মাটিতে পাকিস্তানের কোনো ব্যাটসম্যানের প্রথম দেড়শ ছোঁয়া ইনিংসও এটি।

দ্বিতীয় ইনিংসেও অপরাজিত ছিলেন শাফিক। লক্ষ্য তাড়ায় ২৪ রান করে দলের জয় সঙ্গে নিয়ে ফেরেন তিনি। ৮ উইকেটের ওই জয়ে ঘরের বাইরে তিন বছর পর টেস্ট জয়ের স্বাদ পায় পাকিস্তান।

আবদুল্লাহ ফাজালের চোটে দলে আসা এবং পরে শান মাসুদের চোটে একাদশে সুযোগ পাওয়া শাফিক আছেন ইংল্যান্ড সফরের দলেও। যেখানে লিডসে প্রথম টেস্ট খেলবে পাকিস্তান, আগামী বুধবার শুরু। ২০২৫ সালে ইয়র্কশায়ারের হয়ে একটি কাউন্টি ম্যাচ খেলেছিলেন তিনি।

পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের (পিসিবি) মিডিয়াকে ২৬ বছর বয়সী শাফিক বলেন, সেই অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে হেডিংলি টেস্টে ভালো করতে আত্মবিশ্বাসী তিনি। 

“গত গ্রীষ্মে ইয়র্কশায়ারের হয়ে কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশিপে একটি ম্যাচ খেলেছি। তাই লিডসের কন্ডিশনের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার ব্যাপারে আমি আত্মবিশ্বাসী।”

ঘরের মাঠে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে কয়েকটি ম্যাচ খেলেছি (২০২২ ও ২০২৪ সালে)। আর এবার তাদের বিপক্ষে তাদেরই মাটিতে সিরিজটি রোমাঞ্চকর এক চ্যালেঞ্জ হতে যাচ্ছে।”

এসেক্সের বিপক্ষে একমাত্র সেই কাউন্টি ম্যাচটিতে অবশ্য ব্যর্থ ছিলেন শাফিক। এক ইনিংসে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়ে ২০ বলে ৫ রান করেছিলেন তিনি।

ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ছয় টেস্টের ১২ ইনিংসে ৩১.৩৬ গড়ে ৩৪৫ রান করেছেন শাফিক। দুটি সেঞ্চুরি আছে তার ইংলিশদের বিপক্ষে, রাওয়ালপিন্ডি ও মুলতানে। 

গত শতকের শেষ দিকে ইংল্যান্ডের মাটিতে দারুণ সাফল্য পেয়েছিল পাকিস্তান। ১৯৮৭, ১৯৯২ ও ১৯৯৬ সালে টানা তিনটি টেস্ট সিরিজ জিতেছিল তারা। তবে এরপর, গত তিন দশকে ইংল্যান্ডের মাটিতে আর কোনো টেস্ট সিরিজ জিততে পারেনি পাকিস্তান।