আইপিএল
Published : 07 May 2026, 10:18 PM
টুকটাক রান ঠিকই পাচ্ছিলেন মিচেল মার্শ, কিন্তু ইনিংসগুলো বড় হচ্ছিল না। সবশেষ পাঁচ ইনিংসের চারটিতেই চল্লিশ ছোঁয়া ব্যাটসম্যান এবার করলেন বড় রান। দারুণ ব্যাটিংয়ে উপহার দিলেন সেঞ্চুরি।
লখনৌয়ে বৃহস্পতিবার রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর বিপক্ষে তিন অঙ্কের উষ্ণ ছোঁয়া পান মার্শ। লখনৌ সুপার জায়ান্টসের ওপেনার ১১১ রানের দারুণ ইনিংস খেলেন। তার ৫৬ বলের ইনিংসটি গড়া ৯টি করে ছক্কা-চারে।
ইনিংসটির পথে ৪৯ বলে সেঞ্চুরিতে পা রাখেন মার্শ। স্বীকৃত টি-টোয়েন্টিতে যা তার দ্রুততম শতক। গত অক্টোবরে নিউ জিল্যান্ডের বিপক্ষে ৫২ বলে ১০৩ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলার পথে ৫০ বলে তিন অঙ্ক স্পর্শ করেছিলেন অস্ট্রেলিয়ার টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক।
আইপিএলে গত আসরেও সেঞ্চুরি পেয়েছিলেন মার্শ। গুজরাট টাইটান্সের বিপক্ষে আটটি ছক্কা ও ১০টি চারে ৬৪ বলে ১১৭ রান করেছিলেন তিনি।
লখনৌর হয়েও দ্রুততম সেঞ্চুরির রেকর্ড গড়েছেন মার্শ।
স্বীকৃত টি-টোয়েন্টিতে এনিয়ে পঞ্চমবার সেঞ্চুরি করলেন মার্শ। এই সংস্করণে তার সবশেষ শতকটি এসেছিল গত জানুয়ারিতে, বিগ ব্যাশে। হোবার্ট হারিকেন্সের বিপক্ষে পার্থ স্কর্চার্সের হয়ে পাঁচটি ছক্কা ও ১১টি চারে ৫৮ বলে ১০২ রান করেছিলেন তিনি।
আইপিএলে এদিন মুখোমুখি তৃতীয় বলে জশ হেইজেলউডকে ছক্কায় ওড়ান মার্শ। তিন বল পর জাতীয় দলের সতীর্থকে আরেকটি ছক্কা মারেন তিনি। পাওয়ার প্লেতেই ফিফটি করে ফেলেন তিনি, ২০ বলে।
প্রথম ছয় ওভার শেষে লখনৌয়ের রান ৬৮, যেখানে ৫৮ রানই করেন মার্শ। তার তাণ্ডব চলতে থাকে পরেও। প্রথম ৯ ওভারের প্রতিটিতে বাউন্ডারি হাঁকান তিনি।
চতুর্দশ ওভারে রোমারিও শেফার্ডকে টানা দুটি চার মারেন মার্শ। দ্বিতীয়টিতে সেঞ্চুরি স্পর্শ করেন তিনি। ওই ওভারের শেষ বলে ওড়ান ছক্কা।
এরপর বৃষ্টিতে খেলা বন্ধ ছিল কিছুক্ষণ। এরপর খেলা শুরু হলে ইনিংস আর বেশিদূর টেনে নিতে পারেননি মার্শ। হেইজেলউডের করা সপ্তদশ ওভারের প্রথম বলে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন ড্রেসিং রুমে।