২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫ আশ্বিন ১৪৩৩

অস্ট্রেলিয়ায় টেস্ট খেলার সুযোগ, নিজেকে ভাগ্যবান ভাবছেন শান্ত

বিরল সুযোগ কাজে লাগাতে উন্মুখ হয়ে আছেন বাংলাদেশ অধিনায়ক।

ক্রীড়া প্রতিবেদক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 30 Jul 2026, 08:16 PM

Updated : 11 Sep 2026, 03:45 PM

ক‍্যারিয়ারে প্রথমবার অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে টেস্ট খেলার সুযোগ পাওয়ায় নিজেকে ভাগ্যবান মনে করছেন নাজমুল হোসেন শান্ত। বিরল সুযোগ কাজে লাগাতে উন্মুখ হয়ে আছেন বাংলাদেশ অধিনায়ক।    

২০০৩ সালে অস্ট্রেলিয়ায় নিজেদের একমাত্র টেস্ট সিরিজ খেলে বাংলাদেশ। ২৩ বছরের অপেক্ষার অবসান ঘটতে যাচ্ছে এবার। 

এই লম্বা বিরতির কারণে অনেক ক্রিকেটারই ক‍্যারিয়ার শেষ করেছেন অস্ট্রেলিয়ায় টেস্ট খেলতে না পারার আক্ষেপ নিয়ে। সেই তালিকায় নাম উঠবে না বলে ভীষণ খুশি ২৭ বছর বয়সী শান্ত। 

“খুবই ভাগ্যবান মনে করছি, অস্ট্রেলিয়াতে গিয়ে তাদের সাথে (বিপক্ষে) টেস্ট খেলতে পারছি। গত ২৩ বছরে আমাদের আরও বেশি ম্যাচ খেলা উচিত ছিল। আমরা যদি আরও ভালো ক্রিকেট খেলতে পারতাম, তাহলে হয়তো আরও বেশি সুযোগ হতো।”

নিজেকে শুধু ভাগ্যবানই মনে করছেন না। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে তাদের মাটিতে খেলার রোমাঞ্চও কাজ করছে তার ভেতরে। 

“টিভিতে যাদের খেলা দেখতাম, এখন তাদের বিপক্ষে খেলতে পারছি। একজন খেলোয়াড় হিসেবে ভেতরে অনেক উত্তেজনা কাজ করছে।”

অস্ট্রেলিয়ায় ব্যাটসম্যান ও বোলার- সবার জন্যই থাকবে বাড়তি চ্যালেঞ্জ। অধিনায়ক জানালেন, এই চ্যালেঞ্জ নিতে মুখিয়ে আছে তার দল।

“আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি এটা বড় সুযোগ, এমন বোলিংয়ের বিপক্ষে ভালো করার। আমাদের ব্যাটসম্যানরা অনেক রোমাঞ্চিত এই চ্যালেঞ্জটা নেওয়ার জন্য। কত রান বোর্ডে (স্কোরবোর্ডে) দিতে পারব সেদিকে না তাকিয়ে চ্যালেঞ্জটা কত ভালোভাবে সামলাতে পারছি এবং উপভোগ করছি সেটাই গুরুত্বপূর্ণ। 

“অস্ট্রেলিয়াতে যে কন্ডিশন, সেখানে অবশ্যই প্রত্যাশা আছে তারা (পেসাররা) ২০ উইকেট নিয়ে দেবে। পাশাপাশি দুইজন ভালো অভিজ্ঞ স্পিনারও আছে, তারা পেস বোলারদের সাহায্য করবে। স্কোয়াডে যেসব পেস বোলার আছে, তারা সক্ষম। মুশফিক (হাসান) ছাড়া সবাই অভিজ্ঞ, অনেক বছর ধরে খেলছে। যদি তাদের সেরা বোলিংটা করতে পারে, অবশ্যই ২০ উইকেট নেওয়া সম্ভব।”

দুই সফরের মাঝে এই লম্বা বিরতিতে বাংলাদেশ ক্রিকেটে যেমন পরিবর্তন এসেছে, তেমনি পরিবর্তিত হয়েছে দর্শকদের প্রত্যাশা। এখন প্রতিটি ম্যাচেই তাদের চাওয়া থাকে জয়। দর্শকদের এই মনোভাবকে ইতিবাচকভাবে নিয়েছেন অধিনায়ক।

“এটা ভালো, দর্শকদের প্রত্যাশা বেড়েছে। তারা চায় আমরা প্রতিটি ম্যাচ জিতি, যা একটি ইতিবাচক দিক। ২৩ বছর আগে হয়তো এই জিনিসটা ছিল না। এটা একটা বড় অর্জন। এখন বাংলাদেশের মানুষ যে কোনো দলের বিপক্ষে জয়ের কথা চিন্তা করে। আমাদের চেষ্টা থাকবে কন্ডিশনের সঙ্গে মানিয়ে নিয়ে জয় ছিনিয়ে আনার।”