তবু নিজেদেরই এগিয়ে রাখছেন মাহমুদউল্লাহ

ফাইনালসহ শেষ দুই ম্যাচ হেরে ছোঁয়া হয়নি ত্রিদেশীয় সিরিজের ট্রফি। ২০১৫ সালের পর প্রথমবারের মত দেশের মাটিতে হারতে হয়েছে টেস্ট সিরিজ। আত্মবিশ্বাস কমতির দিকে। দল চোট জর্জর। টি-টোয়েন্টি সংস্করণের ভাষা দলের কাছে এখনও দুর্বোধ্য। এরপরও শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজে নিজেদের এগিয়ে রাখছেন মাহমুদউল্লাহ। মূল কারণ, খেলা নিজেদের আঙিনায়।

ক্রীড়া প্রতিবেদকবিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
Published : 14 Feb 2018, 01:11 PM
Updated : 14 Feb 2018, 05:00 PM

দুই ম্যাচের প্রথম টি-টোয়েন্টিতে বৃহস্পতিবার শ্রীলঙ্কার মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ। মিরপুরে খেলা শুরু বিকেল ৫টায়।

ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টিতে হতাশার পর বাংলাদেশের কিছু পাওয়ার সুযোগ এখন টি-টোয়েন্টিতেই। যদিও দুই সংস্করণের হারে আত্মবিশ্বাস গেছে দমে। একের পর এক চোটের ছোবলেও বিপর্যস্ত দল। সব মিলিয়ে বাংলাদেশের কাজটা কঠিন।

সাকিব আল হাসানের চোটে নেতৃত্ব পাওয়া মাহমুদউল্লাহ তবু বিশ্বাসের রসদ পাচ্ছেন দেশের মাটি থেকে।

“আমি সবসময়ই বলি, ঘরের মাটিতে আমরা যার বিপক্ষেই খেলি না কেন, আমাদের দলকে এগিয়ে রাখব। যদিও ওয়ানডে ও টেস্টে আমরা আশানুরূপ পারফরম্যান্স দেখাতে পারিনি। তারপরও আমি খুব আশাবাদী যে আমরা ঘুরে দাঁড়াতে পারব। ভালো খেলেই আমরা ঘুরে দাঁড়াব আশা করি।”

“টি-টোয়েন্টি ভিন্ন ঘরানার খেলা। ওয়ানডের ধরণ আলাদা, টেস্টের ধরন আলাদা। আমরা গত কয়েক বছর যেভাবে পারফর্ম করছিলাম, আমরাই প্রত্যাশা তৈরি করেছিলাম। তবে এবার সেই ফলটা দেখাতে পারিনি। আশা করি টি-টোয়েন্টিতে ভিন্ন কিছু হবে।”

ওয়ানডেতে বাংলাদেশ যতটা রঙিন, প্রায় ততটাই বিবর্ণ টি-টোয়েন্টি। এই সংস্করণে কখনোই ধারাবাহিক ভাবে ভালো খেলতে পারেনি দল। র‌্যাঙ্কিংয়েও তাই পড়ে থাকতে হচ্ছে তলানিতে।

তবে সেই পারফরম্যান্সকে অতীতে ফেলে আসতে চান মাহমুদউল্লাহ। এই সিরিজ দিয়েই নিজেদের বদলে যাওয়ার বার্তা ক্রিকেট বিশ্বকে দিতে চান অধিনায়ক।

“আমার মনে হয়, আমাদের টি-টোয়েন্টির সামর্থ্য নিয়ে অবশ্যই প্রশ্ন আছে। তবে সেই ব্যাপারগুলো নিয়ে না ভাবাই ভালো। আমি মনে করি, এই সিরিজ দিয়ে আমাদের একটা বার্তা দেওয়ার আছে বাকি বিশ্বকে। সেদিক থেকে আমাদের ক্রিকেটের জন্য এই সিরিজটা খুব গুরুত্বপূর্ণ।”

আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে ৬৯টি ম্যাচ খেলে বাংলাদেশ জিতেছে মাত্র ২১টি। সাফল্যের হার ৩১.৩৪ শতাংশ। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ৭ টি-টোয়েন্টি খেলে জয় ২টি।

তৌফিক ইমরোজ খালিদী
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক