সুরিয়াভানশির ১৪ বলে ফিফটি, উমরানের ১ ওভারে ৩৬ রান
দুই ওভারে ৫৯ রান দিয়ে উইকেটশূন্য থাকেন ফাস্ট বোলার উমরান মালিক।
৫০ ওভারের ম্যাচ হোক কিংবা ২০ ওভারের, বৈভাব সুরিয়াভানশির ব্যাটিং তাণ্ডব চলছেই। এবার কুড়ি ওভারের ক্রিকেটে বিধ্বংসী ফিফটি করেছেন ভারতের এই বিস্ময়-বালক।
ভারতের ঘরোয়া টি-টোয়েন্টি প্রতিযোগিতা ডিওয়াই পাতিল টি-টোয়েন্টি কাপে বৃহস্পতিবার ১৪ বলে ফিফটি করেন সুরিয়াভানশি। ডিওয়াই পাতিল ব্লুর হয়ে ইন্ডিয়ান নেভির বিপক্ষে রান তাড়ায় সাত চার ও পাঁচ ছক্কায় ১৯ বলে ৬৩ রানের ইনিংস খেলেন তিনি।
একই দলের হয়ে বোলিংয়ে একটি উইকেট নেওয়ার পর, ২৯ বলে অপরাজিত ৫৫ রানের ইনিংসে জয় নিয়ে ফেরেন কিংবদন্তি সাচিন টেন্ডুলকারের ছেলে আর্জুন টেন্ডুলকার।
গত আইপিএলে ৩৫ বলে সেঞ্চুরি করে হৈচৈ ফেলে দেওয়া সুরিয়াভানশি সম্প্রতি ভারতের যুব বিশ্বকাপ জয়ের নায়কদের একজন ছিলেন। ফাইনালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ১৫টি করে চার ও ছক্কায় ৮০ বলে ১৭৫ রানের বিস্ফোরক ইনিংস খেলেন তিনি।
ফাইনালের সেরা তো বটেই, টুর্নামেন্ট-সেরার পুরস্কারও জেতেন সুরিয়াভানশি। সাত ইনিংসে ৬২.৭১ গড় ও ১৬৯.৪৯ স্ট্রাইক রেটে আসরের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৪৩৯ রান করেন তিনি।
মাঝে ভারতের অন্যান্য ঘরোয়া প্রতিযোগিতায়ও দারুণ সব ইনিংস উপহার দিয়েছেন ১৪ বছর বয়সী এই বাঁহাতি ব্যাটসম্যান।
ডিওয়াই পাতিল টি-টোয়েন্টি কাপে আগের দিন ভীষণ খরুচে বোলিং করেন বর্তমানে ভারত জাতীয় দলের বাইরে থাকা উমরান মালিক। এক ওভারে ৩৬ রানসহ দুই ওভারে ৫৯ রান দিয়ে উইকেটশূন্য থাকেন জাম্মু ও কাশ্মীরের এই গতিময় ফাস্ট বোলার।
মুম্বাই কাস্টমসের বিপক্ষে ১৯২ রানের পুঁজি গড়ে উমরানের দল টাটা স্পোর্টস ক্লাব। অধিনায়ক শার্দুল ঠাকুরের সঙ্গে নতুন বলে হাতে নেন উমরান। ইনিংসের দ্বিতীয় ওভার তিনি দেন ২৩ রান।
ত্রয়োদশ ওভারে বোলিংয়ে ফিরে এলোমেলো বোলিংয়ে ৩৬ রান দেন ২৬ বছর বয়সী বোলার। তিনটি করে ছক্কা ও চার হজম করেন তিনি। এর মধ্যে একটি করে চার ও ছক্কা আসে ‘নো’ বলে। ‘নো’ বল করেন তিনি আরও একটি, ওয়াইড একটি। সিঙ্গল আসে দুটি।
