Published : 13 Aug 2026, 09:09 PM
ভিরাট কোহলি ও রোহিত শার্মা ২০২৭ বিশ্বকাপে খেলতে পারবেন কি না, এই বিষয়ে মতামত দিতে গিয়ে ফুটবলের মহাতারকা লিওনেল মেসির উদাহরণ টানলেন হারভাজান সিং। ভারতের স্পিন গ্রেট বললেন, ৩৯ বছর বয়সী মেসি ২০২৬ বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনাকে ফাইনালে তুলতে সাহায্য করতে পারলে, ওয়ানডে বিশ্বকাপে প্রভাব রাখতে অভিজ্ঞ এই দুই ব্যাটসম্যানকে আটকানোর মতো কিছু নেই।
রোহিতের বয়স ৩৯ পেরিয়ে গেছে। আগামী নভেম্বরে ৩৮ বছর পূর্ণ করবেন কোহলি। ভারতের হয়ে এখন কেবল ওয়ানডেতেই খেলেন সাবেক দুই অধিনায়ক। দুজনের বয়স নিয়ে ভারতীয় ক্রিকেটে চর্চা চলছে অনেক দিন ধরে।
আগামী বছরের অক্টোবর-নভেম্বরে হবে ওয়ানডে বিশ্বকাপ। ততদিন তারা আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে খেলতে পারবেন কি না বা বিশ্বকাপ দলে জায়গা করে নিতে পারবেন কি না, এসব নিয়ে রয়েছে নানা প্রশ্ন আর কৌতূহল।
বিষয়টি নিয়ে পিটিআই পডকাস্ট-এ নিজের ভাবনা তুলে ধরলেন সাবেক অফ স্পিনার হারভাজান।
“খেলোয়াড় যেই হোক না কেন, আমি বিশ্বাস করি, মানদণ্ড হওয়া উচিত পারফরম্যান্স, বয়স নয়। ভিরাটের বয়স ৩৯ হতে পারে, কিন্তু সে যদি এখনও মাঠে ২০ বছর বয়সী খেলোয়াড়দের পেছনে ফেলতে পারে, তাহলে তার বয়স কোনো ব্যাপারই না। লিওনেল মেসির দিকে তাকান। ৪০ বছর বয়সেও (৩৯) পাঁচ জন খেলোয়াড় তাকে থামাতে পারে না। যদি কোনো খেলোয়াড়ের এমন ফিটনেস এবং দক্ষতা থাকে যে, পাঁচ জন প্রতিপক্ষও তাকে আটকাতে পারে না, তাহলে আমরা জানি যে দক্ষতাই সবসময় প্রাধান্য পায়।
আমি যদি কোচ হতাম, আমার কাজ হতো তাদের সুযোগ করে দেওয়া, কারণ বৈভাব সুরিয়াভানশির চেয়ে রোহিত ও ভিরাটের কাছে আমার প্রত্যাশা অনেক বেশি। এই দুজনের সেই অভিজ্ঞতা আছে। তাদের ৩০০ ম্যাচ খেলার অভিজ্ঞতা আছে, সুরিয়াভানশির যা নেই। হ্যাঁ, একজন সুরিয়াভানশি মাঠে নেমেই বোলারদের গুঁড়িয়ে দিতে পারে, কিন্তু ভিরাট ও রোহিতের অভিজ্ঞতা আছে। ফিটনেস আগে এবং পারফরম্যান্স গুরুত্বপূর্ণ। পারফরম্যান্সই চূড়ান্ত মানদণ্ড। তাই যদি এই দুজন রান করতে পারে এবং শ্রেয়াস (আইয়ার) বা ইয়াশাসভির (জয়সওয়াল) ফিটনেসের সাথে পাল্লা দিতে পারে, তাহলে আর কিছুই গুরুত্বপূর্ণ নয়।”