১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩ আশ্বিন ১৪৩৩

বিশ্বকাপে চোখ রেখে উন্নতির তাড়না সাইফ উদ্দিনের

পাঁচ বছর পর সবশেষ ওয়ানডে সিরিজের দলে ফেরা এই অলরাউন্ডার জায়গা ধরে রেখে আগামী বিশ্বকাপে ভালো পারফর্ম করতে চান।

ক্রীড়া প্রতিবেদক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 19 Aug 2026, 05:41 PM

Updated : 11 Sep 2026, 03:52 PM

মিরপুর একাডেমি মাঠের একপাশে চলছিল নারী ক্রিকেটারদের ক্যাম্প, আরেকদিকে নিজেদের মতো করে অনুশীলন করছিলেন মোহাম্মদ সাইফ উদ্দিন, জাকের আলি ও সাইফ হাসানসহ বেশ কয়েকজন। নারী দল সামনেই খেলবে এশিয়া কাপ। জাকের, সাইফদের আপাতত জাতীয় দলের খেলার ব্যাপার নেই। তারা ঘাম ঝরাচ্ছেন বাংলাদেশ ‘এ’ দলের হয়ে দক্ষিণ আফ্রিকা সফরের জন্য। 

এই অনুশীলন শেষে বুধবার বেরিয়ে যাওয়ার সময় সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে সাইফ উদ্দিন বললেন, এবারের দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে তার মনের কোণে থাকবে আগামী বছরে দক্ষিণ আফ্রিকায় অনুষ্ঠেয় ওয়ানডে বিশ্বকাপের ভাবনাও।

পাঁচ বছর পর ওয়ানডে দলে ফিরে গত জিম্বাবুয়েতে একটি ম্যাচ খেলেছেন সাইফ। প্রত্যাবর্তনের ম্যাচে ৩১ রানে একটি উইকেট শিকার করেন। পরের সিরিজে জায়গা ধরে রাখতে পারবেন কি না, সেটি বলবে সময়। আপাতত নিজেকে শাণিত করার সুযোগ পাচ্ছেন তিনি দক্ষিণ আফ্রিকায় ‘এ’ দলের হয়ে। 

সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে আগামী মাসে সেখানে খেলবেন তিনি একদিনের ম্যাচের সিরিজে। বলার অপেক্ষা রাখে না, ‘এ’ দলে ভালো করলে জাতীয় দলেও জায়গা ধরে রাখতে সহায়ক হবে তা। 

শুধু ওয়ানডে দলে টিকে থাকাই নয়, আগামী বছরের বিশ্বকাপকেও প্রবলভাবেই ভাবনায় রাখছেন তিনি। 

“আমরা যারা সাদা বলের খেলোয়াড় আছি, নাজমুল ভাই (কোচ ও সাবেক পেসার) ভাই আছেন আমাদের সঙ্গে। উনার সঙ্গে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে শেয়ার করছি এবং কাজ করছি, ওই কন্ডিশনে কীভাবে ভালো করা যায়। যেহেতু, ২০২৭ বিশ্বকাপ দক্ষিণ আফ্রিকায় হবে, সব মিলিয়ে আলোচনা করছি নিজের সেরাটা দেওয়ার এবং ফিট থাকার।”

উপমহাদেশের দলগুলির জন্য দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে সবচেয়ে বড় বাধা সবসময়ই কন্ডিশন। সেই চ্যালেঞ্জের কথা জানেন সাইফও। 

“দক্ষিণ আফ্রিকার কন্ডিশন সহজ হবে না। যেহেতু, আমাদের ইমার্জিং দল সেখানে খেলছে এবং চারদিনের ম্যাচের দল আগে যাবে, কন্ডিশন দেখে নিজেকে প্রস্তুত করার আরও সময় পাবো।”

ওয়ানডেতে দীর্ঘদিন পর ফিরলেও টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশের জার্সিতে কিছুটা নিয়মিত দেখা গেছে তাকে সাম্প্রতিক বছরগুলোয়। জিম্বাবুয়ে সফরে তো তিনটি ম্যাচেই খেলেছেন। উইকেট নিয়েছেন ৫টি, ব্যাট হাতে এক ম্যাচে ১০ বলে করেছেন ৩১ রান।

নিজের পারফরম্যান্সে অখুশি নন ২৯ বছর বয়সী অলরাউন্ডার। তবে আরও উন্নতির তাড়না শোনা গেল তার কণ্ঠে। 

“ভালো খেলার তো বিকল্প নেই। যদি আমার সাম্প্রতিক ম্যাচগুলো দেখেন, আমি খুব একটা খারাপ করিনি। তবে ভালোর তো শেষ নেই, আরও ভালো করা যায়। সেই লক্ষ্যে কাজ করছি।”

“এখন আমাদের ছুটি, তারপরও আমি ব্যক্তিগতভাবে এসে কাজ করছি। যতটুকু উন্নতি করা যায়। আমি জানি, আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে আমার ঘাটতিগুলো কোথায়, সেগুলো নিয়ে বোলিং এবং ব্যাটিংয়ে কাজ করছি।”