Published : 10 Dec 2025, 03:55 PM
তিনে নেমে দলের সর্বোচ্চ রান করলেন বটে, কিন্তু ইনিংস জুড়েই ধুঁকলেন ম্যাক্স হোল্ডেন। তাকে যেন আউটই করতে চাইছিল না এমআই এমিরেটস। সেটা মোটামুটি নিশ্চিত হয়ে গেল, যখন সুযোগ পেয়েও হোল্ডেনকে স্টাম্পিং করলেন না নিকোলাস পুরান! পরের বলে অবশ্য তাকে তুলে নিল ডেজার্ট ভাইপার্স।
সংযুক্ত আরব আমিরাতের ফ্র্যাঞ্চাইজি টুর্নামেন্ট আইএলটি-টোয়েন্টিতে মঙ্গলবার দেখা গেছে এমন নাটকীয়তা। রোমাঞ্চ-উত্তেজনায় ঠাসা ম্যাচটি শেষ পর্যন্ত ১ রানে জিতে নিয়েছে ভাইপার্স।
আবু ধাবিতে এদিন টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে দ্রুত রান করতে পারছিলেন না ভাইপার্সের ব্যাটসম্যানরা। ১৫ ওভার শেষে ১ উইকেট হারালেও তাদের রান ছিল কেবল ১১০। ওই সময় ক্রিজে ছিলেন হোল্ডেন ও স্যাম কারান। আগের চার ওভারে স্রেফ ২০ রান তুলতে পেরেছিলেন তারা দুইজন।
প্রতিপক্ষের এমন মন্থর ব্যাটিং একরকম উপভোগই করছিল এমআই এমিরেটস। তাই ষোড়শ ওভারে ইচ্ছা করেই হোল্ডেনকে স্টাম্পিং করেননি পুরান।
আফগান তারকা লেগ স্পিনার রাশিদের খানের করা ওই ওভারের প্রথম বলে চার মারেন কারান। পরের ডেলিভারিতে নেন সিঙ্গল। তৃতীয় ও চতুর্থ বলে রান নিয়ে পারেননি হোল্ডেন। পঞ্চম বলে আসে দুই রান।
ওভারের শেষ ডেলিভারিটি উইকেট ছেড়ে বেরিয়ে ছক্কার চেষ্টায় সজোরে ব্যাট চালান হোল্ডেন। কিন্তু টার্ন করে বেরিয়ে যাওয়া বল ব্যাটেই লাগাতে পারেননি তিনি। বল গ্লাভসে জমিয়ে দাঁড়িয়ে থাকেন পুরান। অনেকটা বাইরে থাকা বাঁহাতি হোল্ডেন পরে ক্রিজ ঢোকেন। বলটি হয় ওয়াইড।
ধারাভাষ্যকার ওই সময় বলে উঠেন, “ওহ! সে (পুরান) তাকে (হোল্ডেন) স্টাম্পিং করেনি। স্টাম্পিং করেনি। আম্পায়ার ওয়াইড দিয়েছেন। অনেক বাইরে থাকতেই তাকে স্টাম্পড করতে পারত।”
পরের বলেও ব্যাটে লাগাতে পারেননি হোল্ডেন। পরে তাকে তুলে নেয় ভাইপার্স। রিটায়ার্ড আউট হওয়া হোল্ডেন ৩ চারে ৩৭ বলে ৪২ রান করেন।
ভাইপার্সের এই সিদ্ধান্ত কাজে লাগে। হোল্ডেনের জায়গায় শিমরন হেটমায়ার নেমে একটি করে ছক্কা-চারে ৯ বলে ১৫ রান করেন। ২ চারে ১৯ বলে ১৯ রান করে কারান ফিরলে ক্রিজে যান ড্যান লরেন্স। ৮ বলে ১৫ রান করেন তিনি, মারেন এক ছক্কা।তাদের সৌজন্যে শেষ চার ওভারে ৪১ রান তোলে ভাইপার্স। ১৬০ রানের লক্ষ্য দিয়ে এমআই এমিরেটসকে ১৫৮ রানে থামিয়ে রোমাঞ্চকর এক জয়ের উল্লাসে মাতে দলটি।