১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩ আশ্বিন ১৪৩৩

ক্যাম্পবেলের সেঞ্চুরির দিনে শেষ বিকেলে মুশফিকের জোড়া শিকার

জিম্বাবুয়ের সাবেক অধিনায়ক অ্যালেস্টার ক্যাম্পবেলের ছেলে ম্যাথু ক্যাম্পবেল উপহার দিলেন ঝড়ো সেঞ্চুরি, তার বড় ভাই জোনাথন ক্যাম্পবেল সম্ভাবনা জাগিয়েও পারলেন না বড় ইনিংস খেলতে।

ক্রীড়া প্রতিবেদক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 25 Jun 2026, 06:40 PM

Updated : 11 Sep 2026, 03:29 PM

সেঞ্চুরির দুয়ারে দিন শুরু করা ম্যাথু ক্যাম্পবেল মাইলফলকে পৌঁছে গেলেন অনায়াসেই। তবে এরপর বেশি দূর যেতে পারলেন না। বড় ভাই জোনাথন ক্যাম্পবেলের সঙ্গে জুটিও হলো না তার। জিম্বাবুয়ে অবশ্য এরপরও আরেকটি ভালো জুটি পেল। তবে শেষ বেলায় মুশফিক হাসানের দুই উইকেট ম্যাচে ফেরাল বাংলাদেশ ইমার্জিংকে।

সিলেটে দ্বিতীয় চারদিনের ম্যাচের বৃষ্টিবিঘ্নিত দ্বিতীয় দিন শেষে জিম্বাবুয়ে ‘এ’ দলের রান প্রথম ইনিংসে ৬ উইকেটে ২৮৯। 

বৃষ্টির কারণে প্রথম দিনে খেলা হয়েছিল ৩৮ ওভার। দ্বিতীয় দিনে খেলা হতে পারে ৪২ ওভার। 

জিম্বাবুয়ের সাবেক অধিনায়ক অ্যালেস্টার ক্যাম্পবেলের ছেলে ম্যাথু ক্যাম্পবেল ১৮ চার ও ২ ছক্কায় ১১৮ বলে ১১৯ রান করে আউট হন। ২৪ বছর বয়সী ম্যাথুর চার বছরের বড় ভাই জোনাথান ক্যাম্পবেল ফেরেন ৩৩ রানে। 

লড়িয়ে ইনিংস খেলে ৫৮ রানে অপরাজিত আন্তুম নাকভি।

সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বৃহস্পতিবার বৃষ্টি ও ভেজা মাঠের কারণে খেলা শুরু হয় দুপুর সোয়া দুইটায়। ৯১ রানে দিন শুরু করা ম্যাথু ক্যাম্পবেল শতরানে পৌঁছে যান অনায়াসেই।

বাবার মতোই বাঁহাতি ব্যাটসম্যান ম্যাথু। দিনের তৃতীয় ওভারে মুশফিককে পুল করে মারেন ছক্কা। পরের ওভারে আসাদুল্লাহ আল গালিবের বলে পয়েন্ট দিয়ে চার মেরে পৌঁছে যান তিন অঙ্কে। 

মাত্র ৮৫ বলে আসে তার এই সেঞ্চুরি।

শতরানের পথে দুই দফায় জীবন পাওয়া ম্যাথু শেষ পর্যন্ত থামেন ১১৯ রানে। এনামুল হক এনামের রাউন্ড দা উইকেটে করা ডেলিভারির লাইন মিস করেন তিনি স্ট্রেইট ড্রাইভের চেষ্টায়। বল ছোবল দেয় অফ স্টাম্পে।

নাকভির সঙ্গে তার জুটি থামে ৫৮ রানে। 

ছোট ভাইয়ের জায়গায় ক্রিজে যান জিম্বাবুয়ের হয়ে এক টেস্ট ও তিন ওয়ানডে খেলা জোনাথন। সাবলীল ব্যাটিংয়ে আরেকটি জুটি গড়ে তোলেন তিনি নাকভির সঙ্গে। 

এই জুটিই দিনের খেলা শেষ করে দেওয়ার পথে ছিল। তবে বাংলাদেশ ইমার্জিং শেষ পর্যন্ত লড়াইয়ে ফিরতে পারে। রাউন্ড দা উইকেটে মুশফিকের ভেতরে ঢোকা বলে এলবিডব্লিউ হন বাঁহাতি জোনাথন। তার ৩৩ রানের ইনিংসে ৪টি চারের সঙ্গে আছে নাঈম আহমেদের অফ স্পিনে লং অন দিয়ে দারুণ একটি ছক্কা।

নতুন ব্যাটসম্যান ও অধিনায়ক ক্লাইভ মাডান্ডে বিদায় নেন মুশফিকের পরের ওভারে। শর্ট বলে পুল করার চেষ্টায় ঠিকমতো খেলতে পারেননি জিম্বাবুয়ের হয়ে ৫৯টি আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলা ব্যাটসম্যান। স্কয়ার লেগ থেকে অনেকটা দৌড়ে সামনে ঝাঁপিয়ে অসাধারণ ক্যাচ নেন এনামুল।

নাকভি ও ভিনসেন্ট মাসেকেসা পার করে দেন বাকি সময়। ১৩৫ বলে ৫৮ রানে অপরাজিত থেকে মাঠ ছাড়েন নাকভি।

বাংলাদেশ ইমারর্জিংয়ের জন্য আশার জায়গা, ৮০ ওভার শেষ হওয়ায় তৃতীয় দিন সকালেই নতুন বল নিতে পারবে তারা। 

সংক্ষিপ্ত স্কোর: 

জিম্বাবুয়ে ‘এ’ প্রথম ইনিংস: ৮০ ওভারে ২৮৯/৬ (মুসাকা্দা ২১, মাকোনি ৩৩, ক্যাম্পবেল ১১৯, মায়ার্স ১৭, নাতভি ৫৮*, মাডান্ডে ০, মাসেকেসা ৩*; গালিব ১১-০-৩৯-০, মুশফিক ১২-২-৩৭-২, এনামুল ১০-০-৫৫-২, ইফতি ৩-১-৫-০, আশরাফুল ১৯-০-৫৯-১, নাঈম ১২-২-৭৫-১, আফিফ ৬-০-১৬-০)।