২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩

সেই তিক্ততার পরও ‘সম্মানজনক অভ্যর্থনা’ পাবে অস্ট্রেলিয়া, আশায় মার্করাম

২০১৮ সালে দক্ষিণ আফ্রিকায় সেই বল টেম্পারিং বিতর্কের তুমুল আলোচিত সিরিজের পর এই প্রথম সেখানে টেস্ট খেলতে যাচ্ছে অস্ট্রেলিয়া।

সেই তিক্ততার পরও ‘সম্মানজনক অভ্যর্থনা’ পাবে অস্ট্রেলিয়া, আশায় মার্করাম

দক্ষিণ আফ্রিকায় তিন ম্যাচের টেস্ট সিরিজ খেলবে অস্ট্রেলিয়া। ছবি: অস্ট্রেলিয়া মেন’স ক্রিকেট টিম ফেইসবুক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম নিউজ সার্ভিস

Published : 26 Sep 2026, 09:16 PM

Updated : 26 Sep 2026, 09:16 PM

দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে অস্ট্রেলিয়ার টেস্ট সিরিজের আগে উঠে আসছে আট বছর আগের তুমুল আলোচিত এক ঘটনার প্রসঙ্গ। ২০১৮ সালে দেশটিতে সেই বল টেম্পারিং বিতর্কের সিরিজের পর, এই প্রথম সেখানে সাদা পোশাকে খেলতে যাচ্ছে অস্ট্রেলিয়া। এই সিরিজে স্বাগতিক দর্শকদের কাছ থেকে অস্ট্রেলিয়া দল কেমন অভ্যর্থনা পাবে, বুঝতে পারছেন না এইডেন মার্করাম। তবে দক্ষিণ আফ্রিকার এই ব্যাটসম্যানের আশা, সফরকারীদের সাদরেই গ্রহণ করবেন দর্শকরা।

দক্ষিণ আফ্রিকায় এখন ওয়ানডে সিরিজ খেলছে অস্ট্রেলিয়া। আগামী ৯ অক্টোবর শুরু হবে তিন ম্যাচের টেস্ট সিরিজ। ম্যাচগুলো হবে ডারবান, গেবেখা (আগে যেটির নাম ছিল পোর্ট এলিজাবেথ) ও কেপ টাউনে।

২০১৮ সালের ওই সিরিজে কেপ টাউনের নিউল্যান্ডসেই ঘটেছিল বল টেম্পারিংয়ের বিতর্কিত ঘটনাটি। সেই ঘটনার জেরে দীর্ঘমেয়াদী নিষেধাজ্ঞার মুখে পড়তে হয় তখনকার অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক স্টিভেন স্মিথ, সহ-অধিনায়ক ডেভিড ওয়ার্নার ও আরেক ব্যাটসম্যান ক্যামেরন ব্যানক্রফটকে। অস্ট্রেলিয়া দলের আচরণ ও সংস্কৃতি নিয়ে ব্যাপক পর্যালোচনা হয় তখন।

সেই ঘটনার স্মৃতি আসছে সিরিজে বাড়তি উত্তেজনা যোগ করতে পারে; তাছাড়া গত বছর আইসিসি টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে ট্রফি জিতে নেয় দক্ষিণ আফ্রিকা। ফলে এমনিতেই এই লড়াইয়ে বাড়তি প্রতিদ্বন্দ্বিতার আবহ রয়েছে।

মার্করাম শনিবার সাংবাদিকদের বললেন, অস্ট্রেলিয়ানদের প্রতি দর্শকদের প্রতিক্রিয়া ইতিবাচক হবে বলেই আশা করছেন তিনি।

“বিষয়টি (দর্শকদের প্রতিক্রিয়া) কেমন হবে, সে সম্পর্কে আমার কোনো ধারণা নেই। স্পষ্টতই ২০১৮ সাল অনেক আগের কথা; তবে এমন অনেক দর্শক নিশ্চয়ই আছেন, যারা সেই ঘটনা এখনও ভুলে যাননি।

“আবার এমন অনেকেই আছেন, যারা সেই ঘটনাকে পেছনে ফেলে এসেছেন এবং বুঝতে পারছেন যে, পরিস্থিতি এখন অনেক বদলে গেছে (অস্ট্রেলিয়া দলে)। আমরা অবশ্যই অসম্মানজনক কোনো কিছুকে উৎসাহিত করছি না। তবে আশা করি, দর্শকরা ম্যাচ উপভোগ করবেন এবং ভালো ক্রিকেট দেখবেন।”

মার্করাম বলেন, বিশ্বজুড়ে টি-টোয়েন্টি লিগগুলোর ব্যাপক প্রসারের ফলে প্রতিপক্ষরা এখন সতীর্থ হয়ে উঠছে এবং মাঠের বাইরেও তাদের মধ্যে সুসম্পর্ক গড়ে উঠছে। তবে দেশের হয়ে লড়াইয়ে নামলে বাইরের সম্পর্কের কোনো মূল্য থাকবে না বলেও মনে করেন তিনি।

“গত আইপিএলে মিচের (মার্শ) সঙ্গে এবং বিভিন্ন সময়ে অন্যান্য অস্ট্রেলিয়ান খেলোয়াড়দের সঙ্গেও আমি বেশ কিছুটা সময় কাটিয়েছি। ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেট আসলে এমনই এক পরিবেশ তৈরি করে।

“তবে আমার মনে হয়, যখন সবাই মাঠের ভেতরে প্রবেশ করেন, তখন এসবের কথা আর মাথায় থাকে না। তখন লড়াইটা হয়ে দাঁড়ায় দুটি দলের মধ্যে-যারা ফলাফল নিজেদের পক্ষে আনতে এবং ম্যাচ জিততে সর্বাত্মক চেষ্টা চালায়।”