১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২ আশ্বিন ১৪৩৩

ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রস্তুতিতে গাভাস্কারের নতুন টোটকা

ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডকে একটি দিকনির্দেশনা দিয়েছেন দেশটির কিংবদন্তি ব্যাটসম্যান।

ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রস্তুতিতে গাভাস্কারের নতুন টোটকা
ভারতের কিংবদন্তি ব্যাটসম্যান সুনিল গাভাস্কার। ছবি: গাভাস্কারের ইনস্টাগ্রাম

স্পোর্টস ডেস্ক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 27 Jul 2026, 11:59 PM

Updated : 11 Sep 2026, 03:44 PM

ওয়ানডে বিশ্বকাপের বাকি এক বছরের বেশি, টি-টোয়েন্টির দুই বছর। আগামী দুটি বৈশ্বিক আসরের প্রস্তুতি ভারতের এখন থেকেই শুরু করার উচিত বলে মনে করছেন সুনিল গাভাস্কার। এজন্য ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড বিসিসিআইকে একটি দিকনির্দেশনা দিয়েছেন দেশটির কিংবদন্তি ব্যাটসম্যান।

২০২৭ সালের অক্টোবর-নভেম্বরে দক্ষিণ আফ্রিকা, নামিবিয়া ও জিম্বাবুয়েতে যৌথভাবে হবে ওয়ানডে বিশ্বকাপের চতুর্দশ আসর। আর টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের একাদশ আসর হবে অস্ট্রেলিয়া ও নিউ জিল্যান্ডে, ২০২৮ সালের অক্টোবর-নভেম্বরে। 

অস্ট্রেলিয়া ও দক্ষিণ আফ্রিকার অনেক আন্তর্জাতিক ভেন্যুতে ভারতের তুলনায় বড় বাউন্ডারিতে খেলা হয়। তাই ওইরকম বাউন্ডারির সঙ্গে ক্রিকেটারদের অভ্যস্ত করার জন্য উদ্যোগ নিতে বলেছেন গাভাস্কার।

স্পোর্টস্টারের কলামে ভারতের সাবেক অধিনায়ক লিখেছেন, ঘরোয়া ক্রিকেটের নতুন মৌসুম থেকে বাউন্ডারির দৈর্ঘ্য বাড়ানো উচিত বিসিসিআইয়ের।

“ভারতে নতুন মৌসুমে বাউন্ডারির আকার বাড়ানো অপরিহার্য, যাতে আগামী বছরের বিশ্বকাপের আগে আমাদের ব্যাটসম্যানরা এর সঙ্গে অভ্যস্ত হতে পারে। প্রায় প্রতিটি মাঠেই এলইডি বিজ্ঞাপন বোর্ডের পেছনে হাঁটার মতো প্রচুর জায়গা থাকে। ফলে সেই জায়গা কাজে লাগানো হলে বাউন্ডারির আকার এমনিতেই বড় হয়ে যাবে।”

সঙ্গে ব্যাটসম্যানদের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ কিছু পরামর্শ দিয়েছেন ভারতের হয়ে ১৩ হাজারের বেশি আন্তর্জাতিক রান করা গাভাস্কার।

“স্মার্ট ক্রিকেট খেলা জরুরি। কোন বোলারকে পাল্টা আক্রমণ করার প্রয়োজন নেই, সেটা আগে বের করতে হবে। এরপর ওইসব বোলারদের টার্গেট করতে হবে, যাদের বিপক্ষে রান তোলা সম্ভব এবং ভালো বোলারের করা ওভারগুলোর ঘাটতি পুষিয়ে নেওয়া যায়। বিশ্বের কোনো দলেরই পাঁচজন শীর্ষমানের বোলার থাকে না। আর টি-টোয়েন্টিতে সব সময়ই ৮ থেকে ১২ ওভার থাকে, যেখানে প্রচুর রান তোলা সম্ভব। একইভাবে ৫০ ওভারের ক্রিকেটে, যদি ৩৮০ বা তার বেশি রানও তাড়া করতে হয়, তখনও শুরুতে একটু ধৈর্য ধরলে ক্ষতি নেই।

“শট নির্বাচন খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ব্যাটসম্যানদের অহম নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। নিজের ভাবমূর্তি ধরে রাখার চেষ্টা না করে বলের মেধা অনুযায়ী খেলতে হবে। হ্যাঁ, অতি-সংক্ষিপ্ত সংস্করণ, টি-টোয়েন্টিতে এমন করা সহজ নয়, কারণ সেখানে প্রায় প্রতি দ্বিতীয় বলেই বড় শট খেলতে হয়। তবে ওয়ানডেতে বিষয়টা ভিন্ন, সেখানে বড় শট খেলা শুরু করার আগে ক্রিজে থিতু হওয়ার জন্য কিছুটা সময় পাওয়া যায়।”