১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২ আশ্বিন ১৪৩৩

মাঠের যন্ত্রণাদায়ক অভিজ্ঞতায় অনুপ্রাণিত হয়ে ব্যবসায় নামলেন উইলিয়ামসন

২০১২ সালে ডেল স্টেইনের ডেলিভারিতে ভেঙে যায় কেন উইলিয়ামসনের ‘অ্যাবডোমেন গার্ড’, সেই অভিজ্ঞতা থেকে এই ক্রিকেট সরঞ্জামের ব্যবসা শুরু করেছেন নিউ জিল্যান্ডের অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যান।

মাঠের যন্ত্রণাদায়ক অভিজ্ঞতায় অনুপ্রাণিত হয়ে ব্যবসায় নামলেন উইলিয়ামসন
নতুন ব্র্যান্ডের অ্যাবডোমেন গার্ড হাতে কেন উইলিয়ামসন। ছবি: উইলিয়ামসনের ইনস্টাগ্রাম

স্পোর্টস ডেস্ক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 12 Mar 2026, 08:47 PM

Updated : 26 Aug 2026, 03:08 PM

ক্রিকেট মাঠের তীব্র যন্ত্রণাদায়ক এক অভিজ্ঞতায় অনুপ্রাণিত হয়ে নতুন ব্যবসা শুরু করেছেন কেন উইলিয়ামসন। ক্রিকেটারদের সবচেয়ে সংবেদনশীল জায়গার সুরক্ষায় ‘অ্যাবডোমেন গার্ড’ তৈরির ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন নিউ জিল্যান্ডের অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যান।  

ক্রিকেট সরঞ্জামগুলোর মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ একটি এই ‘অ্যাবডোমেন গার্ড’, যা ‘বক্স’ নামেও পরিচিত। কুঁচকির সংবেদনশীল অংশের সুরক্ষায় এটি ব্যবহার করেন ব্যাটসম্যান কিংবা ব্যাটসম্যানের কাছাকাছি দাঁড়ানো ফিল্ডাররা।

২০১২ সালে একবার দক্ষিণ আফ্রিকার গতিময় পেসার ডেল স্টেইনের ডেলিভারিতে ভেঙে গিয়েছিল উইলিয়ামসনের গার্ড। তখনই তিনি বুঝতে পারেন, আধুনিক ক্রিকেটের দ্রুতগতির বলের সামনে প্রচলিত সুরক্ষা সরঞ্জাম যথেষ্ট নয়। আর সেই অভিজ্ঞতা থেকে সহ-প্রতিষ্ঠাতার সঙ্গে মিলে ‘প্রিমিয়াম অ্যালয়’ বক্সের ‘কাভার’ নামে নতুন ব্র্যান্ড চালু করেছেন তিনি। 

বিবৃতিতে সেই অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেছেন ৩৫ বছর বয়সী উইলিয়ামসন। 

“খুবই যন্ত্রণাদায়ক ছিল সেটা। আমি আঘাত পেয়েছিলাম, আমার বক্স ভেঙে গিয়েছিল এবং তাতেই বিষয়টি স্পষ্ট হয়ে যায় যে, খেলোয়াড়রা যেসব সুরক্ষার ওপর নির্ভর করছিল, তা আধুনিক ক্রিকেটের চাহিদা মেটানোর জন্য যথেষ্ট নয়।”

২০১৯ সালে যখন আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসর নেন স্টেইন, তাকে শুভেচ্ছা জানাতে সামাজিক মাধ্যমে ওই গার্ডের ছবি পোস্ট করেছিলেন উইলিয়ামসন। 

সহ-প্রতিষ্ঠাতা জেসন ল জানান, নতুন বক্সের অ্যালয় শেল ঘণ্টায় ২০০ কিলোমিটারের বেশি গতির বলের আঘাত সহ্য করতে সক্ষম। শুধু ক্রিকেট নয়, হকি, ল্যাক্রস বা বেসবলের মতো অন্যান্য শক্ত বলের খেলাতেও এটি সুরক্ষা দিতে পারবে খেলোয়াড়দের।

এই ব্যবসায়িক উদ্যোগে বিনিয়োগ করেছে নিউ জিল্যান্ড ক্রিকেটসহ একাধিক বিনিয়োগকারী। সংস্থার বাণিজ্যিক কার্যক্রমের নেতৃত্ব দিচ্ছেন নিউ জিল্যান্ডের সাবেক ক্রিকেটার গ্রান্ট এলিয়ট।

“ক্লাব ক্রিকেট থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ পর্যায়ের ক্রিকেটারদের সামনে আমরা এই বক্স উপস্থাপন করেছি এবং সবার প্রতিক্রিয়া খুবই ইতিবাচক। আমার মতে, বিশ্বের সেরা বক্স এটি।”.