কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় তিন বিষয়ে জোর
“বর্জ্য সমস্যার সমাধান শুধু ডাস্টবিন স্থাপনে সীমাবদ্ধ রাখলে চলবে না। প্লাস্টিক দূষণ বন্ধ করতে হলে সবার আগে আমাদের আচরণ বদলাতে হবে।”
কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় তিনটি বিষয়ের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে এক সেমিনারে।
ওয়াটারএইড এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, পরিবেশ দিবস উপলক্ষে পরিবেশ অধিদপ্তরের উদ্যোগে ‘কঠিন বর্জ্যের টেকসই ব্যবস্থাপনা: চ্যালেঞ্জ, সম্ভাবনা ও করণীয়’ শীর্ষক তিন দিনব্যাপী এই সেমিনারের আয়োজন করা হয়।
সেমিনারে ওয়াটারএইড বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর হাসিন জাহান বলেন, “বর্জ্য সমস্যার সমাধান শুধু ডাস্টবিন স্থাপনে সীমাবদ্ধ রাখলে চলবে না। প্লাস্টিক দূষণ বন্ধ করতে হলে সবার আগে আমাদের আচরণ বদলাতে হবে, অন্যকে উৎসাহ দিতে হবে, আর পুনর্ব্যবহারে গুরুত্ব দিতে হবে।”
পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মোহাম্মদ নাভিদ শফিউল্লাহ বলেন, “কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় কার্যকর অগ্রগতি আনতে তিনটি বিষয়ে জোর দিতে হবে: গণসচেতনতা, প্রাতিষ্ঠানিক অংশীদারিত্ব ও আইনের যথাযথ বাস্তবায়ন।”
