ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন গেইটে ছাত্রদলের তালা

প্রক্টর অধ্যাপক মো. মাকসুদুর রহমান বলেন, “এগুলো কিছুই না। কার্জন হলে রাবারের মত করে একটি তালা ঝুলিয়েছে। দারোয়ানরা তা খুলে ফেলেছে।”

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধিবিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
Published : 5 Nov 2023, 07:10 AM
Updated : 5 Nov 2023, 07:10 AM

বিএনপির ডাকা ৪৮ ঘণ্টার অবরোধ কর্মসূচির মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বিভিন্ন গেইটে তালা ঝোলানোর পাশাপাশি ব্যানার-পোস্টার লাগিয়েছেন ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা।

দ্বিতীয় দফা এই অবরোধের প্রথম দিন রোববার ভোরে বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্জন হলের গেইটসহ নয়টি গেইটে তালা লাগানো হয়। তবে সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মচারীরা সেগুলো খুলে ফেলেন।

কয়েকটি ব্যানার ও পোস্টারে লেখা হয়েছে- ‘রাষ্ট্র সংস্কারের কাজ চলছে, সাময়িক অসুবিধার জন্য দুঃখিত’; ‘দেশ বাঁচানোর অবরোধ সফল হোক’।

জানতে চাইলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. তরিকুল ইসলাম বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “সাধারণ শিক্ষার্থীরা দেশ রক্ষার এই আন্দোলনের সঙ্গে একাত্মতা পোষণ করে ক্লাস ও পরীক্ষা বর্জন করেছে। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও কিছু আওয়ামীপন্থি শিক্ষক জোরপূর্বক শিক্ষার্থীদের ক্লাস ও পরীক্ষা দিতে বাধ্য করছেন। তাই শিক্ষার্থীদের স্বার্থে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদল তালা মারার কর্মসূচি পালন করেছে।”

তালা লাগানোর ঘটনাকে কেন্দ্র করে ক্যাম্পাসে উত্তেজনাও তৈরি হয়েছে। ক্যাম্পাসে মহড়ার পাশাপাশি বিভিন্ন অবস্থান নিতে দেখা গেছে ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক তানভীর হাসান সৈকত বলেন, “ছাত্রদল ইনভিজিবল (অদৃশ্য) রাজনীতি করতেছে। আমরা তাদেরকে ভিজিবল রাজনীতিতে আসার আহ্বান জানাচ্ছি। কারণ ২৮ তারিখের পর থেকে ছাত্রদলের ১০ জনও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। এ ধরনের ভঙ্গুর বিরোধী শক্তি থাকলে আমরা রাজনীতি করে মজা পাচ্ছি না।”

বিষয়টি নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক মো. মাকসুদুর রহমান বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “এগুলো কিছুই না। কার্জন হলে রাবারের মত করে একটি তালা ঝুলিয়েছে। দারোয়ানরা তা খুলে ফেলেছে। দুইটা জায়গায় ওরা ব্যানার টানিয়েছে। আমাদের মোবাইল টিম সেগুলো খুলে নিয়ে এসেছে।

“আমাদের প্রক্টরিয়াল টিম সতর্ক অবস্থানে রয়েছে, যাতে কেউ শিক্ষার পরিবেশ বিঘ্নিত করতে না পারে। শিক্ষার্থীদের স্বার্থে ক্লাস-পরীক্ষা সব কিছু যথারীতি চলছে। তা নাহলে তো ওরা পিছিয়ে যাবে। তাই সব কিছু সচল রেখেছি।”