১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২ আশ্বিন ১৪৩৩

অবশেষে বগুড়ায় বিশ্ববিদ্যালয় হচ্ছে, সংসদে বিল

এর আগে ২০০১ সালে সেখানে একটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। তবে সেটি আর বাস্তবায়ন হয়নি।

অবশেষে বগুড়ায় বিশ্ববিদ্যালয় হচ্ছে, সংসদে বিল
প্রতীকী ছবি

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 07 Jul 2026, 09:14 PM

Updated : 11 Sep 2026, 03:36 PM

প্রথমবারের মত বিশ্ববিদ্যালয় পেতে যাচ্ছে বগুড়া। এজন্য জাতীয় সংসদে একটি বিল উপস্থাপন করা হয়েছে।

এ বিল পাস হলে সেখানে একটি পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের প্রক্রিয়া শুরু করতে পারবে সরকার।

এর আগে ২০০১ সালে বগুড়ায় একটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। তবে সেটি আর বাস্তবায়ন হয়নি।

আওয়ামী লীগ সরকারের দেড় দশকে দেশের বিভিন্ন জেলায় একের পর এক বিশ্ববিদ্যালয় হলেও বগুড়ায় কোনো বিশ্ববিদ্যালয় হয়নি।

প্রায় দুই দশক পর বিএনপি সরকার আবার ক্ষমতায় আসার এসে এবার সেখানে বিশ্ববিদ্যালয় করার কার্যক্রম ফের শুরু করল।

এবার সেখানে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের বদলে ‘পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের’ প্রস্তাব করা হয়েছে বিলে। ‘বাস্তবতার নিরিখেই’ এমন উদ্যোগ বলে বিলে তুলে ধরা হয়।

মঙ্গলবার শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন ‘বগুড়া বিশ্ববিদ্যালয় বিল, ২০২৬’ উত্থাপন করলে বিলটি পরীক্ষা করে প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে পাঠানো হয়।

প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতির পরিপ্রেক্ষিতে এই আইন প্রণয়নের উদ্যোগ নেওয়ার কথাও বিলে তুলে ধরা হয়।

নতুন এ বিল পাস হলে ২০০১ সালের বগুড়া বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন রহিত হবে।

বিলের উদ্দেশ্য ও কারণ সংবলিত বিবৃতিতে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ২০০১ সালের ১৫ জুলাই বগুড়া বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন গেজেট আকারে প্রকাশ হলেও তা কার্যকর করা হয়নি।

তিনি বলেন, বর্তমানে ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ও শিক্ষা কার্যক্রম চালুর প্রক্রিয়া চলছে।

বিলের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান, প্রকৌশল, কারিগরি, কলা, সামাজিক বিজ্ঞান, ব্যবসা প্রশাসন, আইন, কৃষি ও চিকিৎসা বিজ্ঞানসহ জ্ঞান-বিজ্ঞানের নতুন নতুন ক্ষেত্রে শিক্ষা ও গবেষণার সুযোগ সৃষ্টি, জ্ঞানচর্চা এবং দক্ষ মানবসম্পদ তৈরির লক্ষ্যে ‘বগুড়া বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০২৬’ এর খসড়া প্রণয়ন করা হয়েছে।