Published : 03 Nov 2025, 01:23 AM
তিন মাসের মাথায় স্থগিত থাকা সব কমিটির স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করে আগামী ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে তা পুনর্গঠন করতে বলেছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন।
রোববার দেশের সব বিশ্ববিদ্যালয়, মহানগর ও জেলা ইউনিটকে কমিটিগুলো পুরনার সচল করতে এ নির্দেশ দেওয়ার কথা সংবাদ বিজ্ঞপ্তি দিয়ে বলেছে গণঅভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দেওয়া সংগঠনটি।
সংগঠনটির সভাপতি রিফাত রশিদের সই বিজ্ঞপ্তিতে “জুলাই অভ্যুত্থানের বৈপ্লবিক রূপান্তর নিশ্চিতে এবং ঐতিহাসিক এক দফা অর্থাৎ ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থার বিলোপ ও নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্ত বিনির্মাণ নিমিত্তকে” এর কারণ হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে।
রাজধানীর গুলশানে আওয়ামী লীগের সাবেক এক সংসদ সদস্যের বাসায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কয়েকজন নেতার চাঁদাবাজির ঘটনা প্রকাশ্যে আসার পর গত ২৭ জুলাই কেন্দ্রীয় ছাড়া সংগঠনটির সব কমিটির কার্যক্রম স্থগিত করা হয়েছিল।
তখন সংগঠনের তরফে এর কারণ হিসেবে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নাম ব্যবহার করে চাঁদাবাজিসহ নানা ধরনের অপরাধমূলক কাজের জন্য এমন পদক্ষেপ নেওয়ার কথা তুলে ধরা হয়েছিল।
স্থগিতাদেশ তুলে নেওয়ার বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, “চব্বিশের জুলাই ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থান যে আকাঙ্ক্ষা ও উদ্দেশ্য নিয়ে সংঘটিত হয়েছিল, তার পূর্ণ বাস্তবায়ন এখনো হয়নি। বরং দেখা যাচ্ছে, জুলাইয়ের শহীদ পরিবার ও আহতদের চিকিৎসা ও পুনর্বাসন যেমন নিশ্চিত করা হয়নি, তেমনি তাদের নিরাপত্তাও যথাযথভাবে নিশ্চিত করতে ব্যর্থ অভ্যুত্থানের সরকার। ইতোমধ্যে বিভিন্ন স্থানে শহীদ পরিবার ও আহতদের ওপর হামলার ঘটনাও ঘটেছে, যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক।
“জুলাই হত্যাকাণ্ডের বিচারিক প্রক্রিয়া সম্পর্কেও কোনো সুস্পষ্ট রোডম্যাপ আমরা এখনও প্রত্যক্ষ করিনি, যা হাজারও শহীদ ও আহতদের রক্তের ওপর দাঁড়িয়ে থাকা অন্তর্বর্তী সরকারের চরম ব্যর্থতা।”