Published : 26 Oct 2025, 06:20 PM
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) ও হল সংসদের জন্য তহবিল বরাদ্দসহ তিন দাবিতে ডাকসুর প্রতিনিধিরা বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ কার্যালয়ে বিক্ষোভ করেছেন, সেখানে কোষাধ্যক্ষের সঙ্গে তাদের কথা কাটাকাটি হয়।
রোববার বেলা ৩টার দিকে পূর্বঘোষিত এই কর্মসূচির সময় সেখানে ডাকসুর এজিএস মহিউদ্দীন খান, সমাজসেবা সম্পাদক যুবাইর বিন নেছারী, সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক মুসাদ্দিক আলী ইবনে মোহাম্মদ ছাড়াও হল সংসদের অনেক প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন। সেখানে তারা নানা স্লোগান দেন।
পরে ডাকসুর জন্য তহবিল বরাদ্দ দেওয়া হবে কি না, জানতে চেয়ে কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক জাহাঙ্গীর আলমের সঙ্গে কথা কাটাকাটিতে জড়ান ডাকসুর নেতারা।
বরাদ্দ দেওয়ার বিষয়ে কোষাধ্যক্ষকে নানা প্রশ্ন করেন এজিএস মহিউদ্দীন।
জবাবে কোষাধ্যক্ষ জাহাঙ্গীর আলম বলেন, “ডাকসুর বাজেট নেই। আমরা এ বিষয়ে ইউজিসির সাথে কথা বলবো। আর, আমার হাতে কিছু নেই। উপাচার্য বাইরে আছেন, তিনি এলে আমরা কথা বলবো।”
এ নিয়ে প্রায় এক ঘণ্টা সেখানে বিক্ষোভ ও কথা কাটাকাটির পর কোষাধ্যক্ষ কার্যালয় ত্যাগ করেন ডাকসুর নেতারা।
ডাকসুর সমাজসেবা সম্পাদক জুবায়ের বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থ ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা এবং শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে। ক্যাম্পাসকে টোকাই ও মাদকচক্রমুক্ত করে শিক্ষার্থীদের জন্য একটি নিরাপদ পরিবেশ তৈরি করা আমাদের মূল লক্ষ্য।”
তিনি বলেন, “ফ্যাসিবাদের সহযোগী ডেপুটি রেজিস্ট্রার রুহুল আমিনকে গ্রেপ্তারের আগ পর্যন্ত আমরা এ জায়গা ত্যাগ করবো না। আমরা জানতে পেরেছি, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তাকে ‘সেইফ এক্সিট’ দিয়ে পালিয়ে যেতে সহায়তা করেছে।”
ডাকসু ও হল সংসদের প্রতিনিধিদের অপর দুই দাবি হল-
>> নিরাপদ ক্যাম্পাস গঠনের লক্ষ্যে ক্যাম্পাস থেকে টোকাই, ভবঘুরে ও মাদকচক্র নির্মূল করতে হবে এবং এদের সঙ্গে জড়িতদের বিচারের আওতায় আনতে হবে।
>> জুলাইয়ে শেখ হাসিনার পক্ষে মিছিলে নেতৃত্বদানকারী কোষাধ্যক্ষ কার্যালয়ে কর্মরত ডেপুটি রেজিস্ট্রার রুহুল আমিনসহ সকল ‘ফ্যাসিবাদের দোসর’ শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অপসারণ করে বিচারের মুখোমুখি করতে হবে।