ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ভাষা সংরক্ষণ ও বিদেশি ভাষা শিক্ষায় ২ কেন্দ্র আইইউবিতে

“আমাদের শিক্ষার্থীদের জন্য যেমন নিজের ভাষা জানাটা জরুরি, তেমনই তাদের জন্য বিদেশি ভাষা শেখাটাও গুরুত্বপূর্ণ,” বলেন সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ।

নিজস্ব প্রতিবেদকবিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
Published : 17 Nov 2022, 02:57 PM
Updated : 17 Nov 2022, 02:57 PM

ইনডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি, বাংলাদেশে (আইইউবি) ‘সাশিন সেন্টার ফর মাল্টিলিঙ্গুয়াল এক্সেলেন্স’ এবং ‘সেন্টার ফর এনডেনজার্ড ল্যাংগুয়েজেস’ উদ্বোধন করা হয়েছে।

সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ গত মঙ্গলবার ঢাকার বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় অবস্থিত আইইউবি ক্যাম্পাসে এ দুই কেন্দ্রের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন বলে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীদের লুপ্তপ্রায় ভাষাগুলো সংরক্ষণে কাজ করবে সেন্টার ফর এনডেনজার্ড ল্যাঙ্গুয়েজেস।

আর সাশিন সেন্টার ফর মাল্টিলিঙ্গুয়াল এক্সেলেন্সে বাংলা ও ইংরেজির পাশাপাশি জাপানিজ, কোরিয়ান, ফ্রেঞ্চ, মান্দারিন, জার্মান, আরবিসহ বিভিন্ন ভাষা শিক্ষার সুযোগ রয়েছে।

সাশিন সেন্টার ফর মাল্টিলিঙ্গুয়াল এক্সেলেন্সের নামকরণ করা হয়েছে আইইউবির ট্রাস্টি দিদার এ হোসেইনের প্রয়াত কন্যা সাশিন দিদার হুসেইনের নামানুসারে। দুটি সেন্টারই আইইউবি’র শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।

অনুষ্ঠানে সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী বলেন, “সাশিন সেন্টার ফর মাল্টিলিঙ্গুয়াল এক্সেলেন্স সৃষ্টি হয়েছে দেশীয় ভাষা এবং বিদেশি ভাষা সমৃদ্ধ করার জন্য। দেশে ৪৯টি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী আছে। তাদের ভাষাকে সংরক্ষণ করার জন্য সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় কাজ করছে।

“আমাদের শিক্ষার্থীদের জন্য যেমন নিজের ভাষা জানাটা জরুরি, তেমনই তাদের জন্য বিদেশি ভাষা শেখাটাও গুরুত্বপূর্ণ।”

আইইউবির উপাচার্য অধ্যাপক তানভীর হাসান বলেন, “আজকের বিশ্বায়নের যুগে, উদীয়মান অর্থনীতিগুলোর ভাষা সম্পর্কে জ্ঞান থাকাটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি দক্ষতা। যদি দ্রুত পরিবর্তনশীল পৃথিবীর সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে হয়, তাহলে এই চ্যালেঞ্জ আইইউবির শিক্ষার্থীদের নিতেই হবে।”

অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন আইইউবি বোর্ড অব ট্রাস্টিজের সদস্য দিদার হুসেইন, তৌহিদ সামাদ, এ মতিন চৌধুরী, উপ-উপাচার্য অধ্যাপক নিয়াজ আহমদ খান।

তৌফিক ইমরোজ খালিদী
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক