আমদানি পণ্যের মূল্য যাচাইয়ে ব্যাংককে নির্দেশ
আন্তর্জাতিক বাজারদর যাচাই করে পণ্যের মূল্য নির্ধারণের কথা বলেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
আমদানির জন্য ঋণপত্র (এলসি) খোলার আগেই পণ্যের দাম যাচাইয়ের পাশাপাশি সরবরাহকারীর ‘ক্রেডিট রিপোর্ট’ দেখতে ব্যাংকগুলোকে নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
সোমবার এ সংক্রান্ত নির্দেশনায় আন্তর্জাতিক বাজারদর যাচাই করে পণ্যের মূল্য নির্ধারণের কথা বলা হয়েছে।
দেশে ডলার সংকট তীব্র হলে আমদানি নিয়ন্ত্রণে কড়াকড়ি আরোপসহ আমদানির আড়ালে অর্থপাচার ঠেকাতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বিভিন্ন পদক্ষেপের ধারাবাহিকতায় এমন নির্দেশনা দিল কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
পণ্যের বাজারদর যাচাইয়ের পদ্ধতির বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক আবুল কালাম আজাদ বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে জানান, আন্তর্জাতিকভাবে গ্রহণযোগ্য পণ্যের দরের তথ্য বেশ কিছু সংস্থা নিয়মিত প্রকাশ করে। সেখান থেকে যাচাই করতে হবে দর।
সোমবার সার্কুলারে একইভাবে পণ্যের মূল্য পরিশোধের সময়ে অ্যান্টি মানিলন্ডারিং আইন (এএমএল) ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন প্রতিরোধের (সিএফটি) মানদণ্ড পূরণ করতে হবে। সংশ্লিষ্ট পণ্য সরবরাহকারী সম্পর্কে জানতে কেওয়াইসি (নো ইউর কাস্টমার) এর শর্ত পূরণ করতে বলা হয়েছে ব্যাংকগুলোকে।
এছাড়া আমদানি নীতিমালা মেনে মূল্য পরিশোধের বিষয়টিও নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে। তবে নীতিমালা পরিপালন করতে গিয়ে আমদানি যাতে ব্যাহত না হয়-সেদিকেও খেয়াল রাখার বিষয়ে সতর্ক থাকতে বলা হয়।
বর্তমানে আন্তর্জাতিক কয়েকটি সংস্থার কাছ থেকে পণ্যের বাজারদর যাচাই করে এলসি খোলে ব্যাংকগুলো। নতুন পণ্যের ক্ষেত্রে তা যাচাই সহজ হলেও ব্যবহৃত পণ্যের দর নির্ধারণে জটিলতার কথা বলেছেন বেসরকারি খাতের মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ মাহবুবুর রহমান।
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে তিনি বলেন, ‘‘আমরা প্রতিনিয়ত আইএসও (ইন্টারন্যাশনাল অর্গানাইজেশন ফর স্টান্ডারডাইজেশন) সার্টিফাইড কোম্পানিসহ কয়েকটি মাধ্যমে বাজারদর দেখেই এলসি খুলে থাকি। মূলধনী যন্ত্রপাতির দর নির্ধারণ মাঝে মধ্যে সহজ হয় না। এজন্য গ্রাহক পর্যায়েও সচেতনতা বৃদ্ধি প্রয়োজন।’’
