Published : 22 Jul 2026, 09:30 PM
ঢাকাকেন্দ্রিক নগরায়নের বদলে দেশের অন্যান্য অঞ্চলকেও সমান গুরুত্ব দিয়ে পরিকল্পিত আবাসন ব্যবস্থা গড়ে তুলতে রিয়েল এস্টেট অ্যান্ড হাউজিং অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (রিহ্যাব) নেতাদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বুধবার সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে সংগঠনের নেতারা তার সঙ্গে দেখা করতে গেলে তিনি এ আহ্বান জানান।
বৈঠকের পর প্রধানমন্ত্রীর প্রেস দপ্তর বলেছে, দেশে পরিকল্পিত নগরায়ন ও আবাসন খাতের উন্নয়ন নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে রিহ্যাবের প্রতিনিধিদলটি।
বৈঠকে আবাসন শিল্পের বর্তমান পরিস্থিতি, পরিকল্পিত নগরায়ণের চ্যালেঞ্জ, ড্যাপ, বাস্তবায়নের ফলে সৃষ্ট বিভিন্ন সমস্যার পাশাপাশি আবাসন খাতে উন্নয়নের নানা বিষয় দিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা বলেছে প্রেস দপ্তর।
রিহ্যাব প্রতিনিধি দল জমি, প্লট ও ফ্ল্যাট নিবন্ধন ফি যৌক্তিক পর্যায়ে কমানো, আবাসন খাতে বিভিন্ন সরকারি সেবা সম্পূর্ণ ডিজিটাল করা, যৌক্তিকভাবে ফ্লোর এরিয়া রেসিও-ফার বাড়ানো এবং রাজধানীতে সীমিত জমির সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করতে ‘উল্লম্ব নগরায়ণের’ বিষয়গুলো প্রধানমন্ত্রীর কাছে উপস্থাপন করে।
বৈঠকে গৃহায়নমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের উপস্থিত ছিলেন। রিহ্যাবের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন সংগঠনের সভাপতি আলী আফজাল।
প্রতিনিধি দলে আরও ছিলেন- সহসভাপতি আবু খালিদ মোহাম্মদ বারকাতুল্লাহ, ইস্টার্ন হাউজিং লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আমিনুল করিম সিদ্দিকী, ইউনাইটেড গ্রুপের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক নিজামউদ্দিন হাসান রশিদ ও ম্যানেজার মুশফিকুল আলম খন্দকার, রূপায়ণ গ্রুপের চেয়ারম্যান লিয়াকত আলী খান ও কো-চেয়ারম্যান মাহির আলী খান রাতুল, আমিন মোহাম্মদ গ্রুপের নির্বাহী পরিচালক আবুল কালাম মো. রেজাউল করিম, সেঞ্চুরি গ্রুপের চেয়ারম্যান অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল নাসির মজুমদার, ইউএস-বাংলা অ্যাসেটস লিমিটেডের পরিচালক অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. জালাল ঘানি খান ও স্বদেশ প্রপার্টিজ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম. এ. কাইয়ুম।
বৈঠকের তথ্য দিয়ে প্রেস দপ্তর বলেছে, প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের আবাসন শিল্প জাতীয় অর্থনীতির অন্যতম চালিকাশক্তি। এ খাতের বিকাশ দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সরকার এমন একটি স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক ও বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ গড়ে তুলতে কাজ করছে, যেখানে আবাসন খাতের উন্নয়ন হবে পরিকল্পিত, টেকসই ও দুর্নীতিমুক্ত।
‘‘কেউ যেন আবাসন খাতে অনিয়ম করতে না পারে, সে লক্ষ্যে সরকার ইতোমধ্যে বিভিন্ন সংস্কারমূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে এবং আরও কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।”
কৃষি ভূমি রক্ষা করে উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালনার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন প্রধানমন্ত্রী।