Published : 02 Sep 2026, 06:57 PM
বোতলে ভরা সয়াবিন তেলের দাম লিটারে পাঁচ টাকা বাড়িয়ে ২০৪ টাকা করা হয়েছে।
নতুন দর নির্ধারণের এ সিদ্ধান্ত জানিয়েছেন বাণিজ্য সচিব মো. আতাউর রহমান খান।
মঙ্গলবার সচিবালয়ে ভোজ্য তেল নিয়ে জরুরি ব্রিফিংয়ে তিনি এ তথ্য দিয়েছেন বলে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে ভোজ্যতেল ব্যবসায়ীদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
সচিব বলেন, ব্যবসায়ীদের পক্ষ থেকে আরও বেশি দাম বাড়ানোর প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। অন্যদিকে বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশন (বিটিটিসি) প্রতি লিটারে ১০ টাকা বাড়ানোর সুপারিশ করেছিল। তবে ভোক্তা স্বার্থ ও সামগ্রিক বাজার পরিস্থিতি বিবেচনায় সরকার তুলনামূলক কম হারে দাম সমন্বয় করেছে।
বর্তমানে দেশের বাজারে ভোজ্যতেলের পর্যাপ্ত সরবরাহ রয়েছে এবং কোনো সংকট নেই বলে দাবি করেন বাণিজ্য সচিব।
এর আগে গত ২৯ এপ্রিল সয়াবিন তেলের দাম লিটারে চার টাকা বাড়িয়ে ১৯৯ টাকা করা হয়।
তখন সয়াবিন তেলের ৫ লিটারের বোতলের দাম নির্ধারণ করা হয় ৯৭৫ টাকা।
একই সঙ্গে খোলা সয়াবিন তেল লিটারে ৪ টাকা বাড়িয়ে ১৮০ টাকা করে সরকার। পাম তেল ছিল আগের দরেই।
মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের প্রভাবে অপরিশোধিত ভোজ্যতেল আমদানি ব্যাহত হলে খোলা সয়াবিন তেলের দাম বাড়তে শুরু করে।
তবে গত ১২ এপ্রিল বাজারে ভোজ্যতেলের ‘পর্যাপ্ত’ সরবরাহ রয়েছে দাবি করে ভোক্তাদের ‘অহেতুক’ আতঙ্কিত না হওয়ার অনুরোধ করেন বাণিজ্যমন্ত্রী।
সে সময় দাম না বাড়ানোর ইঙ্গিত দিলেও পরে সরকার সে সিদ্ধান্ত থেকে পিছু হটে।
এর আগে গত বছরের ১৪ অক্টোবর প্রতি লিটারে ছয় টাকা এবং খোলা তেল আট টাকা করে বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয় বাংলাদেশ ভেজিটেবল অয়েল রিফাইনার্স অ্যান্ড বনস্পতি ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশন।
একই সঙ্গে খোলা পাম তেলের দামও প্রতি লিটারে ১৩ টাকা বাড়নোর ঘোষণা দেয় ভোজ্যতেল উৎপাদন ও পরিশোধনকারী কোম্পানিগুলোর সংগঠনটি।
ওই সময়ের দর অনুযায়ী, প্রতি লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেল বিক্রি হয় ১৯৫ টাকায়, যা এর আগে ছিল ১৮৯ টাকা। আর খোলা সয়াবিন তেল বিক্রি হয় ১৭৬ টাকায়, যার আগের দাম ১৬৮ টাকা।
তখন সয়াবিন তেলের ৫ লিটারের বোতলে দর ২৫ টাকা বেড়ে হয় ৯৪৫ টাকা। অপরদিকে প্রতি লিটার খোলা পাম তেলের দাম হয় ১৬৩ টাকা।
আরও পড়ুন- আটা-ময়দার পর বেড়েছে তেল চিনির দাম, বাড়তি দরেই ডিম