১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২ আশ্বিন ১৪৩৩

সোনালী ব্যাংকের ৫ শাখার ঋণসীমা উঠল

সীমা আরোপ করার পর থেকে এসব শাখা ৫ থেকে ২০ কোটি টাকার বেশি ঋণ দিতে পারত না।

নিজস্ব প্রতিবেদক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 05 Aug 2026, 12:33 AM

Updated : 11 Sep 2026, 03:47 PM

দীর্ঘদিন পর বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক সোনালীর পাঁচ শাখার ওপর থেকে ঋণ বিতরণের সীমা তুলে নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

এতে করে এখন থেকে ঋণ দেওয়ার নিয়ম মেনে চাহিদা অনুসারে যেকোনো অঙ্কের ঋণ দিতে পারবে এসব শাখা।

শাখাগুলো হল- ব্যাংকটির প্রধান কার্যালয় ভবনে থাকা স্থানীয় করপোরেট শাখা, ফরেন এক্সচেঞ্জ শাখা, শিল্প ভবন করপোরেট শাখা, শহীদ আবরার ফাহাদ অ্যাভিনিউ করপোরেট শাখা ও চট্টগ্রামের লালদীঘি করপোরেট শাখা।

সীমা আরোপ করার পর থেকে এসব শাখা ৫ থেকে ২০ কোটি টাকার বেশি ঋণ দিতে পারত না।

সংশ্লিষ্টদের তথ্য অনুসারে, বিশ্ব ব্যাংকের অর্থায়নে ২০০৭ সালে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকে সংস্কার শুরুর পর থেকে সোনালী ব্যাংকের বিভিন্ন শাখায় ঋণের সীমা দেওয়া শুরু হয়। পরে ২০১২ সালে হল-মার্ক কেলেঙ্কারির ঘটনা সামলে এলে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বিশেষ নজরদারি শুরু হয়। তখন বড় শাখাগুলোর ঋণ বিতরণে সীমা আরোপ করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

দীর্ঘ বছর পর ঋণ সীমা তুলে নেওয়ার বিষয়ে ব্যাংকটির ফরেন এক্সচেঞ্জ শাখার উপমহাব্যবস্থাপক ইস্পাহানি ইসলাম বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, এ সিদ্ধান্তের পর ঋণ বাড়ানো যাবে। এখনও প্রধান কার্যালয় থেকে চিঠি আসেনি। চিঠি এলে জানা যাবে গ্রাহকের জন্য শর্ত কী থাকবে।

গ্রাহকের ঋণ চাহিদা থাকার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘‘অনেক পুরনো ঋণ জমে আছে। সেগুলো পুসঃতফসিল করেও অনেকে নতুন করে ঋণ নিতে পারবেন। তাতে ব্যাংকেরও কিছু লাভ হবে।’’

লালদীঘি করপোরেট শাখার উপমহাব্যবস্থাপক আবু বকর সিদ্দিক বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, ‘‘অফিসিয়াল চিঠি এখনো শাখায় আসেনি। চিঠি পাওয়ার পর ঋণ বিতরণের দিকে যাব।’’

সোনালী ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী ২০২৫ সাল শেষে ব্যাংকটির আমানত ছিল ১ লাখ ৭৯ হাজার ৮৭৯ কোটি টাকা। এর বিপরীতে ঋণের স্থিতির পরিমাণ ছিল ১ লাখ ৪ হাজার ৭২৩ কোটি টাকা। খেলাপি ঋণের হার ১৮ শতাংশ।