Published : 30 Jul 2026, 05:35 PM
সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের অধীনে যাওয়া শরিয়াহভিত্তিক পাঁচ ব্যাংক থেকে একে একে প্রশাসক তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত এক্সিম ব্যাংক দিয়ে শুরু হল।
বৃহস্পতিবার এক্সিম ব্যাংক থেকে প্রশাসক ও তার দল তুলে নিতে চিঠি দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
আগের দিন বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদে সিদ্ধান্তের আলোকে এই চিঠি পাঠানো হয়।
এর আগে গত ২০ জুলাই নীতিগত সিদ্ধান্ত হয়, একীভূত হওয়া শরিয়াহভিত্তিক এক্সিম ব্যাংক, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক, ইউনিয়ন ব্যাংক ও সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংকের পুরো দায়িত্ব চলে যাবে অন্তবর্তী সরকারের সময়ে গঠন করা সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক পিএলসির নিয়ন্ত্রণে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক আরিফ হোসেন খান বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, ‘‘এক্সিম ব্যাংক থেকে প্রশাসক সরানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে।’’
আগামী অগাস্টের মধ্যে বাকি চার ব্যাংক থেকেও প্রশাসক তুলে নেওয়ার পরিকল্পনা করেছে নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি।
গত ২০ জুলাই বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের পরিচালক পর্ষদের সদস্যদের সঙ্গে সভা করেন গভর্নর মোস্তাকুর রহমান। তার আগের দিন ৫ ব্যাংকের প্রশাসকদের সঙ্গে সভা করেন তিনি।
গভর্নরের সঙ্গে পরিচালক পর্ষদের সেই বৈঠকে যোগ দিয়েছিলেন সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের প্রথম ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবেদুর রহমান সিকদার।
প্রশাসক তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করতে সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ পাঁচ ব্যাংকের প্রশাসকদের সঙ্গে আলাদা বৈঠক করবে।
প্রতিটি ব্যাংকের আর্থিক অবস্থা, পরিচালনাগত প্রস্তুতি এবং পুনর্গঠনের অগ্রগতি মূল্যায়নের পর কোন ব্যাংকের দায়িত্ব আগে নেওয়া হবে, তা নির্ধারণ করবে।
এই মূল্যায়নের ভিত্তিতেই দায়িত্ব হস্তান্তরের সময়সূচি বাংলাদেশ ব্যাংকে জানাবে সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক।
এরপর যে ব্যাংকের দায়িত্ব নতুন পর্ষদের কাছে হস্তান্তর করা হবে, কেবল সেই ব্যাংক থেকেই প্রশাসককে প্রত্যাহার করবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। ফলে পাঁচ ব্যাংক থেকে একযোগে প্রশাসক প্রত্যাহার করা হচ্ছে না।
৩৫ হাজার কোটি টাকা অনুমোদিত মূলধন নিয়ে যাত্রা শুরু করা নতুন এই ব্যাংকে সরকার ইতোমধ্যে ২০ হাজার কোটি টাকা মূলধন সহায়তা দিয়েছে।
আরো পড়ুন-
সম্মিলিত ব্যাংক: পাঁচ ব্যাংক থেকে একে একে তুলে নেওয়া হবে প্রশাসক