০১ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩

আমরা অজগর তেড়ে আসার ভয় নিয়ে শিক্ষা জীবন শুরু করি

মির্জা লিও

Published : 19 Jan 2012, 04:37 PM

Updated : 03 Oct 2022, 11:58 AM

" বয়স্কদের বর্ণমালা শিক্ষা "

অ তে অজগর । অজগর টি ঐ আসছে তেড়ে ।
কেমন জানি আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থাটা । আমরা অজগর তেড়ে আসার ভয় নিয়ে শিক্ষা জীবন শুরু করি । সেই ভয় কঁাটতে কঁাটতে নতুন ভয় এসে গ্রাস করে ।
এই লেখা টি তে আমি আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে কিছু বলবো না সেই যোগ্যতা আমার নেই ।

প্রতিটি জাতি তার সভ্যতা নির্মান কিংবা স্বাধীনতা , অর্থনৈতিক মুক্তি পেয়েছে কোনো না কোনো নেতৃত্বের হাত ধরে হয়েছে । আমাদের দেশে শুধু রাজনৈতিক নেতা দের নেতা মনে করা হ্য় । আসলে কিন্তু ব্যাপার টা অরকম না । যেকোনো বিষয়ে কেও আইডল হলে, সঠিক দিক নির্দেশনা দিতে পারলে আধুনিক বিশ্ব তাকে নেতা হিসেবে মেনে নেয় । এখানে আমি প্রতিটি বর্ণ দিয়ে কয়েকজন পৃথিবী বদলে দেয়া মানুষের কথা ।

আসুন নতুন করে বর্ণ শিক্ষা শুরু করি ।

অ তে অতীশ ।
অতীশ দীপংকর শ্রীজ্ঞান বাংলাদেশের ঢাকা জেলার বিক্রমপুরে ব্রজযোগিনী গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।শোনা যায়, অবিভক্ত বাংলার বা বর্তমান বাংলাদেশের এই ব্রজযোগিনী গ্রামে একটি মাটির ঢিবিকে 'অথীশের ভিটা' বা 'নাস্তিক পন্ডিতের ভিটা' বলে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করা হয়। দীপংকর একত্রিশ বৎসর বয়সে অর্থাৎ ১০১২ খ্রিষ্টাব্দে উচ্চতর, গভীরতার জ্ঞানের সন্ধানে ভারতবর্ষ ত্যাগ করেন। সুবর্ণদ্বীপ থেকে চুয়ালি−শ বৎসর বয়সে দীপংকর ভারতে ফিরে আসেন। তিব্বতে যাবার আগে পনের বছর তিনি ভারতে কাটান। দীপংকররের এই পনের বছরের দুটি ঘটনা তিব্বতের ইতিহাসে বিশেষভাবে উলে−খিত হযেছে
বহু শতাব্দী ধরে ভারতীয় আশ্চার্যগণ তিব্বেেত গিয়েছেন, তিব্বতীরা তাদের মধ্যে দীপংকর শ্রীজ্ঞানকেই শ্রেষ্ঠ গুরু ও ধর্মসংস্কারক বলে মনে করেন। তিব্বতীরা তাকে জ্ঞানী বুদ্ধ মঞ্জুশ্রীর অবতার বলেন। তাঞ্জুরে তিব্বতী অনুবাদে সংরক্ষিত ভারতীয় গ্রন্থগুলির মধ্যে দুইশতের বেশী গ্রন্থের রচনা , অনুবাদ, সংরক্ষিত ভারতীয় গ্রন্থগুলির মধ্যে দুইশততের বেশী গ্রন্থের রচনা, অনুবাদ, সংশোধন ইত্যাদির সঙ্গে দীপংকরের নাম যুক্ত আছে। তিব্বতের ঐতিহাসিকদের বিবরণল অনুসরণ করে বলা যায় যে, অস্ত্রবলে নয়, পশু শক্তির দ্বারা নয় প্রেম, করুণা ও মৈত্রীর আদর্শ বলে দীপংকর শ্রীজ্ঞান তিব্বতবাসলি হ্রদয় জয় করেছিলেন।

তিনি দুই শতাধিক গ্রন্থ রচনা, অনুবাদ ও সম্পাদনা করেছেন । তখন কার সময় যা ছিল অকল্পনীয় । তিব্বতবাসীরা তাকে গৌতম বুদ্ধের পরেই তাকেই সম্মান ও পূজা করে । লামা বৌদ্ধ নেতা রা যে তার ই মুল্যবোধ ও জ্ঞান ধ্যানের ফসল । জয় বাংলার ও বাংগালির জয় । বাংলাদেশের স্বাধীনতার আগ পর্যন্ত তাকেই হাজার বসরের শ্রেষ্ঠ বাঙ্গালি বলা হত ।

অ তে অং সান ।
অং সান (ফেব্রুয়ারি ১৩, ১৯১৫ – জুলাই ১৯, ১৯৪৭) মায়ানমারের স্বাধীনতা সংগ্রামের প্রধান নেতা ও সমরনায়ক।
অং সান মায়ানমারের নাটমাউক শহরে জন্মগ্রহণ করেন। স্থানীয় বিদ্যালয়ে শিক্ষাগ্রহণ করেন ও মেধাবী ছাত্র হিসেবে ছাত্রজীবন সমাপ্ত করেন। তিনি ইয়াংগুন বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় রাজনীতিতে যোগ দেন।তিনি 'অ্যান্টি ফ্যাশিস্ট পিপল্‌স ফ্রিডম লিগ' (Anti Fascist People's Freedom League, AFPFL) প্রতিষ্ঠা করেন। এই সংগঠনই মায়ানমারের স্বাধীনতা সংগ্রামে নেতৃত্ব দেয়।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে মায়ানমারে জাপানি বিমান হামলা চলাকালীন সময়ে অং সান মায়ানমারের প্রতিরক্ষামন্ত্রী নিযুক্ত হন। ১৯৪৫ সালে তিনি মায়ানমারের জাতীয় সেনাবাহিনীর কমান্ডার নিযুক্ত হন এবং মিত্রবাহিনীর সাথে একাত্মতা ঘোষণা করেন। ১৯৪৭ সালে মায়ানমারের আইনসভার নির্বাচনে AFPL নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে এবং দলটি মায়ানমারের পূর্ণ স্বাধীনতার ডাক দেয়। অং সান তখন মায়ানমারের অস্থায়ী সরকারের প্রধান ছিলেন।

১৯৪৭ সালের ১৯শে জুলাই মায়ানমারের স্বাধীনতা-চুক্তি স্বাক্ষরের মাত্র ছয় মাস আগে আততায়ীর গুলিতে অং সান ও তাঁর কিছু গুরুত্বপূর্ণ সহযোগী নিহত হন। আজও মায়ানমারের জনগণ তাঁকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করে এবং "বগিয়োকে" (জেনারেল) ডাকনামে তাঁকে ডেকে থাকে।

এবার একটা মন ভাল করা কথা বলি । অং সান এর স্বপ্নের খুব কাছাকাছি যেয়েও স্বপ্নের বাস্তব রুপ না দেখতে পারার একটা কস্ট চেপে ধরেছে কি বুকে ।??? আসার কথা হলো তাঁর কন্যা অং সান সু কি মায়ানমার (ব্রম্মদেশ ) এর শান্তি প্রতিস্টায় আমরন কাজ করে যাচ্ছেন । সামরিকতন্ত্রের বিপক্ষে অহিংস ও শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের জন্য ১৯৯১ সালে তিনি নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন।

অ তে কিছু প্রবাদ প্রবচন: (ফ্রি.।.।।।)

১। অগ্নি ব্যাধি ঋণ,তিনের রেখো না চিন(চিহ্ন)
২। অভাবে স্বভাব নষ্ট
৩। অতি আশ সর্বনাশ
৪। অসারের তর্জনগর্জন সার
৫। অতি বাড় বেড়ো নাকো ঝড়ে ভেঙে যাবে;অতি ছোট হয়ো নাকো ছাগলে মুড়াবে