অবৈধভাবে আনা মালামালসহ শাহজালালে আটক ৭
বিদেশ থেকে আসা যাত্রীদের মাধ্যমে এসব স্বর্ণালংকার চোরাচালানের উদ্দেশ্যে দেশে আনা হয়েছিল, বলেছে এপিবিএন।
অবৈধভাবে সোনার গহনা, মোবাইল ফোন, ল্যাপটপ ও সিগারেট আনার অভিযোগে শাহজালাল বিমানবন্দর এলাকা থেকে সাত জনকে আটক করেছে এয়ারপোর্ট আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন)।
মালামালের মধ্যে প্রায় ৬৭ ভরি স্বর্ণালংকার, ১০টি মোবাইল ফোন, দুটি ল্যাপটপ ও তিন কার্টন সিগারেট রয়েছে বলে শনিবার রাতে এপিবিএনের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
আটক ব্যক্তিরা হলেন— তোফাজ্জল হোসেন (৩৭), জসিম উদ্দিন (৩৯), আরাফাত হোসাইন (২৮), আরিফ (৪২), মো. আলামিন গাজী (৩৭), রূপবান বেগম (৩৯) ও এম এ মতিন (৩০)।
এপিবিএন বলছে, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে প্রথমে তারা অভিযান চালায় বিমানবন্দরের গোলচত্বরের উত্তর পাশে। সেখানে এপিবিএনের উপস্থিতি টের পেয়ে পালানোর চেষ্টাকালে তোফাজ্জল, জসিম, আরাফাত, আরিফ ও আলামিনকে আটক করা হয়।
পরে তাদের তল্লাশি করে ৪৮৪ দশমিক ২ গ্রাম স্বর্ণালংকার, দুটি ল্যাপটপ, আটটি মোবাইল ফোন এবং ৩ কার্টন সিগারেট উদ্ধার করা হয়।
এরপর আগমনী দুই নম্বর ক্যানোপি সংলগ্ন এলাকায় অভিযান চালানোর তথ্য দিয়ে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘সন্দেহজনকভাবে ঘোরাফেরা করায়’ সেখান থেকে রূপবান বেগম নামে এক নারীকে আটক করা হয়। তার কাছে ৯৮ দশমিক ৭ গ্রাম স্বর্ণালংকার ও একটি মোবাইল উদ্ধার করা হয়।
মূল প্রবেশপথের গোলচত্বরের পশ্চিম পাশে তৃতীয় অভিযানে এমএ মতিন নামে একজনকে আটক করার তথ্য দিয়ে এপিবিএন বলেছে, তার শরীর তল্লাশি করে ১৯৮ দশমিক ৪ গ্রাম স্বর্ণালংকার ও একটি মোবাইল ফোন পাওয়া গেছে।
আটক ব্যক্তিদের বরাতে এপিবিএন বলেছে, বিদেশ থেকে আসা যাত্রীদের মাধ্যমে এসব স্বর্ণালংকার চোরাচালানের উদ্দেশ্যে দেশে আনা হয়েছিল। আটক ব্যক্তিরা এই চোরাচালান চক্রের ‘রিসিভার’ হিসেবে কাজ করে আসছিলেন।
আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে বিমানবন্দর থানায় তিনটি মামলা করা হয়েছে।
