সাংবাদিকদের নিয়ে মন্তব্য: ক্ষমা চাইতে এনায়েতুল্লাহ আব্বাসীকে আইনি নোটিস
“তার বক্তব্য সাংবাদিকতা পেশা ও পেশাদার সাংবাদিকদের জন্য অবজ্ঞামূলক,” বলা হয় নোটিসে।
আব্বাসী মঞ্জিল জৈনপুরী দরবার শরিফের পীর সাইয়্যেদ মুহাম্মাদ এনায়েতুল্লাহকে ক্ষমা চাইতে আইনি নোটিস পাঠিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের এক আইনজীবী।
সাংবাদিকদের পেটানোর হুমকি দেওয়ার অভিযোগে নিম্ন আদালতে কর্মরত সাংবাদিকদের সংগঠন— কোর্ট রিপোর্টার্স ইউনিটির কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য আজহারুল ইসলাম সুজনের পক্ষে রোববার এ নোটিস পাঠান খাদেমুল ইসলাম।
তিনি বলেন, “নোটিস পাওয়ার সাত দিনের মধ্যে তার বক্তব্য প্রত্যাহার করে নিঃশর্ত ক্ষমা চাইতে বলা হয়েছে। অন্যথায় সাংবাদিক ও সাংবাদিকতা পেশা সম্পর্কে অবমাননাকর বক্তব্য দিয়ে মানহানি, হামলার হুমকি ও উসকানি দেওয়ার অভিযোগে প্রচলিত আইনে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
নোটিসে বলা হয়েছে, গত ১৯ অক্টোবর চাঁদপুর জেলার মতলব উপজেলার নিশ্চিন্তপুর হাফিজিয়া মাদ্রাসার বার্ষিক ওয়াজ ও দোয়া মাহফিলে বক্তব্য দেন এনায়েতুল্লাহ।
“বক্তব্যে তিনি বলেন, 'সবচেয়ে খারাপ বাংলাদেশের সাংবাদিকগুলো। এগুলোরে কুত্তার মতো পেটানো দরকার’।”
নোটিসে তাকে উদ্ধৃত করে বলা হয়, "একটা যুবক প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্বে থেকে তার বাহিনী নিয়ে মাদক সিন্ডিকেটের চেইনকে ভেঙে ফেলার চেষ্টা করেছে। সাংবাদিকরা ইতিবাচক সংবাদটা প্রচার করে নাই, প্রচার করেছে পিস্তল নিয়ে দৌড়িয়েছে। এই সাংবাদিকগুলো হচ্ছে সাংঘাতিক। এরা হলুদ সাংবাদিকতা করে। এরা বিদেশি ইন্টিলিজেন্স ব্রাঞ্চ কর্তৃক পয়সায় চলে। বাংলাদেশ ভালো হোক এটা তারা চায় না।"
নোটিসে বলা হয়েছে, এ বক্তব্যের মাধ্যমে তিনি নিজে এবং অনুসারীদের মাধ্যমে সাংবাদিকদের পেটানোর যে হুমকি দিয়েছেন, তা সাংবাদিকতার জন্য ভীতিকর পরিবেশ সৃষ্টি করেছে।
“তিনি যে বক্তব্য দিয়েছেন, তা সাংবাদিকতা পেশা ও পেশাদার সাংবাদিকদের জন্য চরম অবজ্ঞামূলক, মানহানিকর ও নিরাপত্তার জন্য হুমকি স্বরূপ।”
