লেটস টক: তরুণদের মুখোমুখি সজীব ওয়াজেদ
বিভিন্ন খাতের অগ্রগামী দুই শতাধিক তরুণ এ অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে ভবিষ্যতের চ্যালেঞ্জ, চাকরির বাজারের হালহকিকত, মৌলবাদীদের হুমকি- এমন নানা প্রসঙ্গে জানতে চান বঙ্গবন্ধুর দৌহিত্রের মুখে।
আওয়ামী লীগের 'ডিজিটাল বাংলাদেশ' ও 'স্মার্ট বাংলাদেশ' ভাবনার মধ্যে পার্থক্য কোথায়? দেশের তথ্যপ্রযুক্তি অঙ্গনকে উন্নত দেশের পর্যায়ে নিয়ে যেতে সরকারের পরিকল্পনা কী। তরুণদের এরকম নানা প্রশ্নের উত্তর দিতে সজীব ওয়াজেদ জয় উপস্থিত হয়েছেন সিআরআই এর আয়োজনে ‘লেটস টক’ অনুষ্ঠানে।
শুক্রবার রাত ১০টায় কয়েকটি টেলিভিশন চ্যানেলের পর্দায় শুরু হয় ‘লেটস টক’র ৫১তম আয়োজন।
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা উপায় যেমন জানতে চেয়েছেন তরুণরা, তেমনই আওয়ামী লীগ দেশকে কীভাবে পরিচালিত করবে- সেই প্রশ্নও রাখা হয় সিআরআই চেয়ারপারসন জয়ের কাছে।
বিভিন্ন খাতের অগ্রগামী দুই শতাধিক তরুণ এ অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে ভবিষ্যতের চ্যালেঞ্জ, চাকরির বাজারের হালহকিকত, মৌলবাদীদের হুমকি- এমন নানা প্রসঙ্গে জানতে চান বঙ্গবন্ধুর দৌহিত্রের মুখে।
স্বাধীনতার চার বছরের মধ্যে ১৯৭৫ সালের ১৫ অগাস্ট সেনাবাহিনীর একদল কর্মকর্তা ও সৈনিকের হাতে সপরিবারে জীবন দিতে হয় তৎকালীন রাষ্ট্রপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবকে।
তার পরিবারের ছয় বছরের শিশু থেকে শুরু করে অন্তঃসত্ত্বা নারীও সেদিন ঘাতকের গুলি থেকে রেহাই পায়নি।
সেই হত্যাযজ্ঞ থেকে বেঁচে যাওয়া জয়ের কাছে প্রশ্ন রাখা হয়, তার মা শেখ হাসিনা, বোন সায়মা ওয়াজেদ, খালা শেখ রেহেনা ও তার সন্তানরা তখন বিদেশে কোন বাস্তবতার মুখোমুখি হয়েছিলেন।
হার্ভার্ডের স্নাতক সজীব ওয়াজেদ চার যুগ আগের সেই দিনলিপির যেমন বর্ণনা দিয়েছেন, তেমনই এখনকার তরুণদের সমস্যাও পর্যালোচনা করেন।
দেশের নীতি নির্ধারকদের সঙ্গে তরুণদের সেতুবন্ধন গড়ে দিতে ২০১৪ সাল থেকে ইয়াংবাংলা ‘লেটস টক’ শিরোনামে এ আয়োজন করে আসছে।
একাদশ সংসদ নির্বাচনের আগে ২০১৮ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নিয়েও আয়োজন করা হয় এ অনুষ্ঠান, যেখানে তরুণদের ভাবনার কথা শোনেন সরকারপ্রধান। সেই সঙ্গে তরুণদের নিয়ে নিজের ভাবনার কথাও জানান এ অনুষ্ঠানে।
