সাবেক সিইসি হাবিবুল আউয়াল নতুন মামলায় গ্রেপ্তার
রাষ্ট্রদ্রোহের মামলায় তিনি উচ্চ আদালতে জামিন পেয়েছিলেন।
কারামুক্তির অপেক্ষায় থাকা সাবেক প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়ালকে ঢাকার আদাবর থানার গার্মেন্ট কর্মী রুবেল হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।
ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আশরাফুল হক রোববার এ আদেশ দেন বলে জানিয়েছেন প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই মিজানুর রহমান।
জনগণের ‘ভোট ছাড়াই’ নির্বাচন সম্পন্ন করা ও রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগে বিএনপির করা মামলায় গত বছরের ২৫ জুন কাজী হাবিবুল আউয়ালকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন তাকে তিন দিনের রিমান্ড দেয় আদালত। এর পর থেকে তিনি কারাগারেই ছিলেন।
এ মামলায় গত ৯ সেপ্টেম্বর উচ্চ আদালত থেকে জামিন পেয়ে কারামুক্তির অপেক্ষায় ছিলেন সাবেক এ সিইসি।
এর মধ্যে ২৮ সেপ্টেম্বর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের ইন্সপেক্টর মোহাম্মদ টিপু সুলতান তাকে রুবেল হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন। আদালত আসামির উপস্থিতিতে শুনানির দিন রাখে রোববার।
এদিন শুনানিকালে কাজী হাবিবুল আউয়ালকে আদালতে হাজির করা হয়। রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি মুহাম্মদ শামছুদ্দোহা সুমন গ্রেপ্তার দেখানোর পক্ষে শুনানি করেন।
হাবিবুল আউয়ালের পক্ষে তার আইনজীবী তাপস চন্দ্র দাস গ্রেপ্তার না দেখানোর পক্ষে শুনানি করেন।
শুনানি নিয়ে আদালত আদালত তাকে গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ দেন। এরপরতাকে কারাগারে পাঠানো হয়।
হাবিবুল আউয়ালের আইনজীবী তাপস চন্দ্র দাস বলেন, “তার বিরুদ্ধে একটি মামলা ছিল। ওই মামলায় তিনি উচ্চ আদালত থেকে জামিন পান।
“জামিননামা জমা দিলে তাকে এ মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করা হয়। আদালত আজ তাকে এ মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ দেন।”
মামলার বিবরণ অনুযায়ী, জুলাই আন্দোলনের শেষ দিন অর্থাৎ ২০২৪ সালের ৫ অগাস্ট রুবেলসহ কয়েকশ ছাত্র-জনতা আদাবরের রিং রোড এলাকায় প্রতিবাদী মিছিল বের করেন। এসময় পুলিশ, আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, শ্রমিক লীগ, তাঁতীলীগ, কৃষকলীগ, মৎসজীবী লীগের নেতাকর্মীরা গুলি চালায়। এতে রুবেল গুলিবিদ্ধ হয়।
কাছের একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে তাকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক। এ ঘটনায় ২০২৪ সালের ২২ অগাস্ট আদাবর থানায় মামলা করেন রুবেলের বাবা রফিকুল ইসলাম।
