চলতি বছর ২০ জেলায় মেডিকেল অক্সিজেন নেটওয়ার্ক হবে: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী
যে কোনো গাড়ির ওপর বাতি জ্বালিয়ে অ্যাম্বুলেন্স চালানো বন্ধ করতে হবে, বলেন তিনি।
চার বছরের (২০২৬-৩০) জন্য একটি কার্যকর ‘ন্যাশনাল অক্সিজেন রোডম্যাপ’ প্রণয়নের কথা বলেছেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী এম এ মুহিত।
তিনি বলেন, দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সক্ষমতা বৃদ্ধি ও চিকিৎসাসেবা নিশ্চিতে চলতি অর্থবছরে অন্তত ২০ জেলায় সমন্বিত মেডিকেল অক্সিজেন নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা হবে।
রোববার ইন্ডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটিতে (আইইউবি) অনুষ্ঠিত দুই দিনব্যাপী ‘বাংলাদেশ অক্সিজেন সামিটের সমাপনী ও উচ্চপর্যায়ের নীতি সংলাপে এসব কথা বলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী।
আইইউবির সেন্টার ফর হেলথ, ইমপ্লিমেন্টেশন অ্যান্ড পলিসি সায়েন্সেস (সিএইচআইপিএস) ও বাংলাদেশ অক্সিজেন নেটওয়ার্ক যৌথভাবে এ সামিটের আয়োজন করেছে বলে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে।
প্রতিমন্ত্রী মুহিত বলেন, “কোভিড মহামারির অভিজ্ঞতা এবং ২০২৩ সালের বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার রেজল্যুশনের পর মেডিকেল অক্সিজেন কেবল তাৎক্ষণিক কোনো চাহিদা নয়, বরং স্বাস্থ্য নিরাপত্তার অপরিহার্য অংশ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।”
তিনি বলেন, “অক্সিজেন ব্যবস্থাপনায় বিগত বছরগুলোতে সমন্বয়ের বড় অভাব ছিল। কিছু জায়গায় পুনরাবৃত্তি হয়েছে, আবার কোথাও সরঞ্জাম পড়ে থাকলেও তা চালু ছিল না। বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর এই অচলাবস্থা নিরসনে কার্যকর উদ্যোগ নিয়েছে।
“ইতোমধ্যে মন্ত্রণালয়ে একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করা হয়েছে এবং ডিপিপি প্রণয়নের কাজ চলছে। যার মাধ্যমে চলতি অর্থবছরেই দ্রুততম সময়ে অন্তত ২০টি জেলায় সমন্বিত অক্সিজেন নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা হবে।”
দেশের মেডিকেল অক্সিজেন ব্যবস্থার সার্বিক অগ্রগতি মূল্যায়নে ল্যানসেট কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী ‘অক্সিজেন অ্যাকসেস স্কোরকার্ড’ অর্জনে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে, বলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী।
দেশে জরুরি অ্যাম্বুলেন্স সেবার সুনির্দিষ্ট কোনো নীতিমালা বা সংজ্ঞা নেই তুলে ধরে তিনি বলেন, যে কোনো গাড়ির ওপর বাতি জ্বালিয়ে অ্যাম্বুলেন্স চালানো বন্ধ করতে হবে।
“দেশে আধুনিক ও মানসম্পন্ন অ্যাম্বুলেন্স সার্ভিস নিশ্চিতে আইনগত কাঠামো ও স্ট্যান্ডার্ডাইজেশন নিয়ে সরকার কাজ শুরু করেছে, যেখানে কার্যকর অক্সিজেন সরবরাহ ব্যবস্থারও অন্তর্ভুক্তি থাকবে।”
