২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩

ঈদের ছুটিতে হাসপাতালে যেন চিকিৎসক থাকে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

“আমি বলে দিয়েছি, বন্ধের সময় যাতে চিকিৎসকদেরও উন্নত খাবার দেওয়া হয়।”

ঈদের ছুটিতে হাসপাতালে যেন চিকিৎসক থাকে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

স্বাস্থ্য ও পরিকল্পনা মন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন।

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 09 Apr 2024, 06:51 PM

Updated : 09 Apr 2024, 06:51 PM

ঈদের ছুটিতে দেশের সব হাসপাতালে চিকিৎসকের উপস্থিতি নিশ্চিত করতে জোর দিচ্ছেন স্বাস্থ্য ও পরিকল্পনা মন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন।

মঙ্গলবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, “ঈদুল ফিতরের পরপরই নববর্ষ। এতে লম্বা সময় ছুটি পড়ে গেছে। চিকিৎসকদের মধ্যেও অনেকে ছুটিতে আছেন। তবে যারা ছুটিতে নেই, তারা যেন ঠিকভাবে দায়িত্ব পালন করেন।

“এবার আমি হাসপাতাল সম্পর্কে যেটা নির্দেশ দিয়েছি, আমার হাসপাতালে যারা চিকিৎসক কাজ করবেন, সাধারণত যারা হিন্দু ধর্মের থাকেন, তারাই এ সময়ে কাজ করেন। ঈদের সময় রোগীদের যেমন উন্নত খাবার দেওয়া হবে, এবার আমি অফিসিয়ালি প্রত্যেক হাসপাতালের পরিচালক, ইনস্টিটিউট, উপজেলার সবাইকে বলে দিয়েছি, বন্ধের সময় যাতে চিকিৎসকদেরও উন্নত খাবার দেওয়া হয়।

“যাদের ডিউটি থাকবে সেটা যাতে ব্যাহত না হয়, সেটা আমি নিজে মনিটর করব। আমি কখন, কোথায় কোন হাসপাতালে যাব সেটা বলব না। আমি নিজেই এ কয়দিন হাসপাতালগুলো মনিটর করব, শুধু ঢাকায় না ঢাকার বাইরেও।”

বর্ষা মৌসুম সামনে, তার আগেই ডেঙ্গু রোগী বাড়তে থাকায় সবাইকে সচেতন হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন ডা. সামন্ত লাল সেন।

তিনি বলেন, “ডেঙ্গু এমন একটা রোগ, এখানে সচেতনতাই হচ্ছে সবচেয়ে বড় জিনিস। সঠিক সময় হাসপাতালে ভর্তি না হতে পারলে ডেঙ্গুতে অনেক সময় মানুষ মারাও যায়। প্রথম বিষয় হল- আমাদের সচেতন হতে হবে। ডেঙ্গু মশার উপদ্রব বন্ধ করতে হবে। চিকিৎসা হল পরের কথা। চিকিৎসা করার জন্য যা যা দরকার সেটা নিয়ে আমরা অলরেডি একটা মিটিং করেছি। ঈদের পরে আবার বসব যেন চিকিৎসায় কোনো ঘাটতি না হয়।”

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, “বাংলাদেশের চিকিৎসকদের যোগ্যতার কোনো অভাব নেই, চিকিৎসাসেবায় বাংলাদেশও এখন সক্ষমতা অর্জন করেছে। কিন্তু রোগীদের আস্থার জায়গাটা এখনও তৈরি করা যায়নি। ফলে রোগীরা বিদেশে যাচ্ছে।

“ডাক্তার এবং রোগীর সম্পর্কটা গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের চিকিৎসকরা কোনো অংশেই ভারত, সিঙ্গাপুর, ব্যাংককের থেকে কম না। কিন্তু আমাদের সবচেয়ে বড় সমস্যা হচ্ছে আমাদের চিকিৎসকদের কাউন্সেলিংয়ের সময়টা দেওয়ার অভাব।”

স্বাস্থ্য সেবা ও সুরক্ষা আইনে একজন রোগী একদিনে কত রোগী দেখতে পারবেন সে বিষয়টি রাখা হয়েছে। এতে চিকিৎসকদের প্রতি রোগীদের আস্থা বাড়বে বলে মনে করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

তিনি বলেন, “চিকিৎসকরা যেন একটা স্বল্প সংখ্যক সময়... সঠিক সময় রোগী দেখার ব্যবস্থা যেন হয়। ওভাবেই আমরা আইনটা করব। অল্প রোগী দেখবেন, ভালোভাবে দেখবেন। রোগীদের সময় দিয়ে দেখতে হবে। তখন ডাক্তারদের প্রতি রোগীদের আস্থা আসবে।”