তথ্য অধিকার বাস্তবায়নে তথ্য চাওয়ার প্রবণতা বাড়াতে হবে: তথ্য কমিশন সচিব
তিনি বলেন, “তথ্য অধিকারের ক্ষেত্রে ‘চাহিদা ও সরবরাহ’র বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
তথ্য অধিকার বাস্তবায়নে সরকারকে যেমন তথ্য সরবরাহের সক্ষমতা বাড়াতে হবে, তেমনি জনগণকেও তথ্য চাওয়ার ক্ষেত্রে আরও সক্রিয় হতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য কমিশন সচিব মো. শাহ আলম।
মঙ্গলবার রাজধানীতে ‘তথ্য অধিকার ফোরাম’ আয়োজিত এক সম্মেলনে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
শাহ আলম বলেন, তথ্য অধিকারের ক্ষেত্রে তথ্যের ‘চাহিদা ও সরবরাহ’—দুই দিকই গুরুত্বপূর্ণ।
তিনি বলেন, “সরকারকে যেমন তথ্য সরবরাহের ক্ষেত্রটি শক্তিশালী করতে হবে, তেমনি জনগণকেও তথ্য চাহিদার দিকটি আরও সক্রিয় করতে হবে।”
তথ্য অধিকার আইন বাস্তবায়নে জনগণের ভূমিকা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করে তিনি বলেন, জনগণ যতক্ষণ পর্যন্ত সচেতন না হবে, তথ্য না চাইবে, স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার দাবি না জানাবে এবং সরকার ও সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোকে জবাবদিহির আওতায় আনার চেষ্টা না করবে, ততক্ষণ এই আইন বাস্তবে কার্যকর করা কঠিন।
একটি উদাহরণ দিয়ে তথ্য কমিশন সচিব বলেন, ইউনিয়ন বা উপজেলা পর্যায়ের বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালে অনেক সময় এমন কিছু ওষুধ সরবরাহ করা হয়, যেগুলোর হয়ত তেমন প্রয়োজন নেই। আবার প্রয়োজনীয় কিছু ওষুধের ঘাটতিও থাকতে পারে।
“সরকার তার জায়গা থেকে সরবরাহ করছে। কিন্তু চাহিদার দিক থেকে যদি কেউ না বলেন—‘এই ওষুধটি প্রয়োজন, এই ওষুধটি প্রয়োজন নয়’—তাহলে প্রয়োজনীয়তার বিষয়টি যথাযথভাবে সামনে আসে না।”
তথ্য অধিকার বাস্তবায়নে জনগণের তথ্য চাওয়ার প্রবণতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দিয়ে শাহ আলম বলেন, চাহিদার দিকটি সক্রিয় ও শক্তিশালী না হলে কাঙ্ক্ষিত ফল পাওয়া সম্ভব নয়।
টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান, এনজিও বিষয়ক ব্যুরো পরিচালক কে এম মামুন উজ্জামান সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন।
