সরকারের অব্যবহৃত জমি: নীতিমালা নিয়ে মতামত দিতে হবে ৫ কার্যদিবসের মধ্যে
নীতিমালাটি কার্যকর হলে সরকারি সম্পদকে বাণিজ্যিকভাবে পুনরুজ্জীবিত করার প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো তৈরি হবে, বলছে ইনভেস্ট বাংলাদেশ।
সরকারি প্রতিষ্ঠানের অব্যবহৃত জমি ব্যবহার নিয়ে ইনভেস্ট বাংলাদেশের করা খসড়া নীতিমালার ওপর চূড়ান্ত মতামত চেয়েছে সরকার।
সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও সংস্থাগুলোকে পাঁচ কর্মদিবসের মধ্যে মতামত জানাতে হবে বলে শনিবার ইনভেস্ট বাংলাদেশের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে।
দীর্ঘদিন ধরে ‘বন্ধ, অকার্যকর ও রুগ্ণ অবস্থায়’ পড়ে থাকা সরকারি শিল্প ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান উৎপাদনমুখী কাজে ব্যবহার এবং এর মাধ্যমে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে এ খসড়া নীতিমালা করা হয়েছে।
এদিন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিবের সভাপতিত্বে নীতিমালার সর্বশেষ খসড়া নিয়ে পর্যালোচনা সভা হয়।
সভায় শিল্প মন্ত্রণালয়, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগ, বাংলাদেশ ব্যাংক, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড-এনবিআর এবং বাংলাদেশ পাবলিক প্রকিউরমেন্ট অথরিটির প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন এবং খসড়া নীতিমালা নিয়ে নিজেদের মতামত ও পর্যবেক্ষণ তুলে ধরেন।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্রাপ্ত মতামত অন্তর্ভুক্ত করে খসড়াটি চূড়ান্ত করা হবে এবং প্রয়োজনীয় আইনগত যাচাই ও অনুমোদন সাপেক্ষে দ্রুততম সময়ে নীতিমালাটি কার্যকর করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।
ইনভেস্ট বাংলাদেশ বলেছে, নীতিমালাটি কার্যকর হলে বন্ধ ও রুগ্ণ রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান এবং অব্যবহৃত সরকারি সম্পদকে বাণিজ্যিকভাবে পুনরুজ্জীবিত করার জন্য একটি স্পষ্ট, স্বচ্ছ ও কার্যকর প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো তৈরি হবে।
“এর ফলে দীর্ঘদিন ধরে অকার্যকর অবস্থায় পড়ে থাকা সম্পদ পুনরায় উৎপাদনমুখী অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে ব্যবহার, নতুন দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং অধিকতর কর্মসংস্থান সৃষ্টির সুযোগ তৈরি হবে।”
