১৭ অক্টোবর ২০২৬, ০২ কার্তিক ১৪৩৩

সরকারের অব্যবহৃত জমি: নীতিমালা নিয়ে মতামত দিতে হবে ৫ কার্যদিবসের মধ্যে

নীতিমালাটি কার্যকর হলে সরকারি সম্পদকে বাণিজ্যিকভাবে পুনরুজ্জীবিত করার প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো তৈরি হবে, বলছে ইনভেস্ট বাংলাদেশ।

সরকারের অব্যবহৃত জমি: নীতিমালা নিয়ে মতামত দিতে হবে ৫ কার্যদিবসের মধ্যে

শনিবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে সরকারি প্রতিষ্ঠানের অব্যবহৃত জমির ব্যবহার নিয়ে বানানো খসড়া নীতিমালা নিয়ে আলোচনা হয়।

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম নিউজ সার্ভিস

Published : 17 Oct 2026, 07:30 PM

Updated : 17 Oct 2026, 07:30 PM

সরকারি প্রতিষ্ঠানের অব্যবহৃত জমি ব্যবহার নিয়ে ইনভেস্ট বাংলাদেশের করা খসড়া নীতিমালার ওপর চূড়ান্ত মতামত চেয়েছে সরকার।

সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও সংস্থাগুলোকে পাঁচ কর্মদিবসের মধ্যে মতামত জানাতে হবে বলে শনিবার ইনভেস্ট বাংলাদেশের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে।

দীর্ঘদিন ধরে ‘বন্ধ, অকার্যকর ও রুগ্ণ অবস্থায়’ পড়ে থাকা সরকারি শিল্প ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান উৎপাদনমুখী কাজে ব্যবহার এবং এর মাধ্যমে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে এ খসড়া নীতিমালা করা হয়েছে।

এদিন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিবের সভাপতিত্বে নীতিমালার সর্বশেষ খসড়া নিয়ে পর্যালোচনা সভা হয়।

সভায় শিল্প মন্ত্রণালয়, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগ, বাংলাদেশ ব্যাংক, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড-এনবিআর এবং বাংলাদেশ পাবলিক প্রকিউরমেন্ট অথরিটির প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন এবং খসড়া নীতিমালা নিয়ে নিজেদের মতামত ও পর্যবেক্ষণ তুলে ধরেন।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্রাপ্ত মতামত অন্তর্ভুক্ত করে খসড়াটি চূড়ান্ত করা হবে এবং প্রয়োজনীয় আইনগত যাচাই ও অনুমোদন সাপেক্ষে দ্রুততম সময়ে নীতিমালাটি কার্যকর করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

ইনভেস্ট বাংলাদেশ বলেছে, নীতিমালাটি কার্যকর হলে বন্ধ ও রুগ্ণ রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান এবং অব্যবহৃত সরকারি সম্পদকে বাণিজ্যিকভাবে পুনরুজ্জীবিত করার জন্য একটি স্পষ্ট, স্বচ্ছ ও কার্যকর প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো তৈরি হবে।

“এর ফলে দীর্ঘদিন ধরে অকার্যকর অবস্থায় পড়ে থাকা সম্পদ পুনরায় উৎপাদনমুখী অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে ব্যবহার, নতুন দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং অধিকতর কর্মসংস্থান সৃষ্টির সুযোগ তৈরি হবে।”