১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২ আশ্বিন ১৪৩৩

মতিঝিলের ‘সন্ত্রাসী’ বাপ্পি সহযোগীসহ রিমান্ড শেষে কারাগারে

“ইসমাইল হোসেন নামে এক ব্যবসায়ীর কাছ থেকে কোরবানির ঈদের আগের রাতে চাঁদা দাবি করেন বাপ্পি।”

মতিঝিলের ‘সন্ত্রাসী’ বাপ্পি সহযোগীসহ রিমান্ড শেষে কারাগারে
ফাইল ছবি

নিজস্ব প্রতিবেদক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 25 Jul 2026, 06:03 PM

Updated : 11 Sep 2026, 03:43 PM

ব্যবসায়ীর কাছে চাঁদাবাজির অভিযোগে করা মামলায় মতিঝিল এলাকার ‘সন্ত্রাসী’ তানিম রেজা বাপ্পি ও তার সহযোগী রাকিবুল ইসলাম ভূঁইয়াকে রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

সাত দিনের রিমান্ড শেষে শনিবার মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মতিঝিল থানার এসআই মোমিনুর রহমান তাদের আদালতে হাজির করে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন।

আবেদনের প্রেক্ষিতে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনাইদ তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

প্রসিকিউশন পুলিশের এসআই রোকুনুজ্জামান এ তথ্য দিয়েছেন।

বাপ্পিকে ১৭ জুলাই সকালে মতিঝিলের হোটেল পূর্বাণী সংলগ্ন এলাকা থেকে এবং তার সহযোগী রাকিবুলকে দুপুরে কমলাপুর থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তাদের দেওয়া তথ্যে সেদিন রাতেই দক্ষিণ কমলাপুরে বাপ্পির অফিসে অভিযান চালিয়ে একটি বিদেশি রিভলভার, দুটি বিদেশি পিস্তল, ম্যাগাজিন, ইলেকট্রিক শক গান, চাইনিজ কুড়াল ও গুলি উদ্ধার করা হয়। পরদিন তাদের সাত দিনের রিমান্ড দেয় আদালত।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, “ইসমাইল হোসেন নামে এক ব্যবসায়ীর কাছ থেকে কোরবানির ঈদের আগে গত ১৫ মে রাতে চাঁদা দাবি করেন বাপ্পি। ইসমাইল মতিঝিলের ব্রাদার্স ইউনিয়ন ক্লাবের পাশে কোরবানির অস্থায়ী হাটের ইজারাদার। হোয়াটসঅ্যাপে কল দিয়ে বাপ্পি গরুর হাটে তার মনোনীত লোক রাখার জন্য চাপ দেন। এসময় ইসমাইলের কাছ থেকে ১০ লাখ টাকাও চাঁদা দাবি করেন।”

অভিযোগে বলা হয়, বাপ্পির মনোনীত লোক হাটে না রাখলে এবং চাঁদা না দিলে গুলি করে ইসমাইলকে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়। এরপর ১৯ মে ভোরে ইসমাইলের অফিসে গুলি চালানো হয়।

এ ঘটনায় পরদিন ২০ মে মতিঝিল থানায় চাঁদাবাজির অভিযোগে মামলা করেন ব্যবসায়ী ইসমাইল।