Published : 21 Jul 2026, 07:13 PM
‘রাজনৈতিক প্রকৃতির’ বিষয় হওয়ার কারণে রোহিঙ্গা সংকট ‘বে অব বেঙ্গল ইনিশিয়েটিভ ফর মাল্টি সেক্টরাল টেকনিক্যাল অ্যান্ড ইকোনমিক কোঅপারেশন’ বা বিমসটেকের এজেন্ডায় না থাকার কথা বলেছেন আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থাটির মহাসচিব ইন্দ্র মনি পান্ডে।
মঙ্গলবার ঢাকার বিমসটেক সচিবালয়ে ডিপ্লোম্যাটিক করেসপন্ডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশ (ডিক্যাব) সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে বিমসটেকের উদ্যোগের বিষয়ে প্রশ্নে মহাসচিব বলেন, “সদস্য দেশগুলো একসঙ্গে বিমসটেকের এজেন্ডার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়। আমি যেভাবে ব্যাখ্যা করেছি, এখন পর্যন্ত আমাদের এজেন্ডায় রাজনৈতিক প্রকৃতির বিষয়াদি থাকে না। সুতরাং এই বিষয়টির অবস্থানও ওই জায়গাতেই।”
দক্ষিণ এশিয়ার সঙ্গে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সংযোগকারী আঞ্চলিক সংস্থা বিমসটেকের সদস্য হিসাবে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের নিজভূমি মিয়ানমারও রয়েছে। ২০১৭ সালে মিয়ানমারে জাতিগত নিপীড়ন ও হত্যাযজ্ঞের শিকার হয়ে পালিয়ে আসা ১১ লাখের বেশি রোহিঙ্গা বর্তমানে বাংলাদেশের শরণার্থী শিবিরগুলোতে আশ্রয়ে আছে। তাদের মিয়ানমারে প্রত্যাবাসনে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহযোগিতা চেয়ে আসছে বাংলাদেশ।
গত সোমবার বিমসটেক মহাসচিব ইন্দ্র মনি পান্ডের উপস্থিতিতে এক আলোচনা অনুষ্ঠানে রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে ফেরত পাঠাতে সংস্থাটিকে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছিলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম।
প্রতিমন্ত্রীর এই বক্তব্যের পরদিন বিমসটেকের কার্যক্রমে রোহিঙ্গা ইস্যু কোন পর্যায়ে রয়েছে, তার উত্তর দিলেন মহাসচিব পান্ডে। অর্থনৈতিক ও কারিগরি খাতে সবাইকে একই জায়গায় আনতে পারে এমন এজেন্ডা নিয়ে বিমসটেকের কাজ করার কথা মতবিনিময়ে বলেন তিনি।
ইন্দ্র মনি পান্ডে বলেন, “দুই অঞ্চলকে (দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া) এক জায়গায় এনে বাস্তবিক ও দৃশ্যমান সহযোগিতার জন্য বিমসটেক গঠন করা হয়েছিল, বিশেষ করে কারিগরি ও অর্থনৈতিক খাতে।
“সদস্য দেশগুলো থেকে প্রয়োজনীয় রাজনৈতিক সমর্থন পেয়ে আসছে বিমসটেক। সংস্থাটি দৃশ্যমান সহযোগিতার উপর দৃষ্টি দেয় এবং রাজনৈতিক ইস্যু থেকে দূরে থাকে।”