Published : 07 Aug 2025, 12:16 AM
‘সার্ভার ডাউন’ থাকায় এবতেদায়ী মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তি সংক্রান্ত তথ্য ঠিকঠাক অন্তর্ভুক্ত করা যাচ্ছে না বলে অভিযোগ তুলেছেন শিক্ষকরা।
তারা বলছেন, রোববার ও সোমবার সার্ভার ডাউন ছিল। মঙ্গলবার কিছু সময় স্বাভাবিক থাকলেও পরে সেটা বন্ধ হয়ে যায়।
ধীরগতির কথা স্বীকার করে মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা বলছেন, সার্ভারটি নতুন হওয়ায় এ ধরনের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।
অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক (সরকারি ও সিনিয়র মাদ্রাসা শাখা) বেনজীর আহমেদ বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “রোববার থেকে শিক্ষার্থীদের তথ্য সার্ভারে অন্তর্ভুক্ত করতে বলা হয়েছে। এটা করতে হবে ১০ অগাস্ট বিকাল ৫টার মধ্যে।
“শিক্ষার্থীদের তথ্যগুলো উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তারা যাচাই করে দেবেন। যাচাই-বাছাই শেষে চলতি অগাস্ট মাসে শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তির টাকা ছাড়ের পরিকল্পনা আছে।”
আগে প্রাথমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের অধীনে উপবৃত্তি পেত এবতেদায়ী শিক্ষার্থীরা। ২০২০ সালের শুরু থেকে হঠাৎ করেই প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর এবতেদায়ী শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তি বন্ধ করে দেয়। কিন্তু তা আবার চালুর সিদ্ধান্ত নেয় অন্তর্বর্তী সরকার।
শিক্ষার্থীদের মাসে ১৫০ টাকা হারে বছরে ১৮০০ টাকা উপবৃত্তি দেওয়ার হবে। তাদের উপবৃত্তি দিতে বছরে খরচ হবে ৩৫ কোটি টাকার বেশি। চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে হিসাব ধরে এ টাকা পাবেন শিক্ষার্থীরা।
স্বতন্ত্র এবতেদায়ী মাদ্রাসা শিক্ষক ঐক্যজোট ও বাংলাদেশ স্বতন্ত্র এবতেদায়ী মাদ্রাসা শিক্ষক পরিষদের মহাসচিব শামসুল আলমের ভাষ্য, সার্ভারে শিক্ষার্থীদের তথ্য অন্তর্ভুক্ত করা যাচ্ছে না।
“রোববার ও সোমবার সার্ভার ডাউন ছিল। মঙ্গলবার কিছু সময় তথ্য অন্তর্ভুক্ত করা গেছে, কিন্তু আবারও সার্ভার বন্ধ! তথ্য সার্ভারে অন্তর্ভুক্ত করতে অনেক বেগ পেতে হচ্ছে। কোনো মাদ্রাসায় ১০০ জন শিক্ষার্থী থাকলে ২৫ থেকে ৩০ জনের তথ্য দেওয়া গেছে, বাকিদের তথ্য দেওয়া যাচ্ছে না।”
এ বিষয়ে বেনজীর আহমেদ বলেন, “সার্ভারটি নতুন হওয়ায় তথ্য অন্তর্ভুক্তিতে বেগ পেতে হচ্ছে। আমরাও (মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর) কিছু চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছি “