১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২ আশ্বিন ১৪৩৩

বাপার প্রশিক্ষণ শেষে ‘বেকারত্ব ঘুচল ২১,৪৮৫ জনের’

বাপার প্রতিষ্ঠানভিত্তিক প্রশিক্ষণ কার্যক্রমে পুরুষের চেয়ে নারীদের অংশগ্রহণ বেশি।

নিজস্ব প্রতিবেদক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম নিউজ সার্ভিস

Published : 04 Sep 2026, 09:02 PM

Updated : 17 Sep 2026, 02:54 AM

নিজেদের পরিচালিত দক্ষতা উন্নয়ন প্রকল্পে অংশ নিয়ে প্রশিক্ষণ শেষে ২১ হাজার ৪৮৫ জনের কর্মসংস্থান হয়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ অ্যাগ্রো-প্রসেসরস অ্যাসোসিয়েশন (বাপা)।

শুক্রবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সংগঠনটি বলেছে, ‘অর্থনৈতিক রূপান্তরের জন্য দক্ষতা ত্বরান্বিত ও শক্তিশালীকরণ’ বা ‘অ্যাসেট’ প্রকল্পে ৪৬ হাজার ৫৬ জন প্রশিক্ষণ নিয়েছেন। এর মধ্যে জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (এনএসডিএ) অধীনে মূল্যায়নে অংশ নেন ৩১ হাজার ৬৮৪ জন।

সেই মূল্যায়ন শেষে ২৯ হাজার ৬৩৭ জনকে দক্ষ বিবেচনা করা হয়। আর তাদের মধ্যে ২১ হাজার ৪৮৫ জনের চাকরি বা আত্মকর্মসংস্থানের তথ্য নথিভুক্ত হয়েছে।

এর মধ্যে প্রাণ গ্রুপের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে ৭ হাজারের বেশি, আকিজ গ্রুপে ৫৫৬, মেঘনা গ্রুপে ৪০৮, টি কে গ্রুপে ১ হাজার ১০৪, বনফুল ও কিষোয়ান গ্রুপে ৯১২ এবং হাশেম ফুডসে ২৮৮ জন চাকরি পেয়েছেন। অন্যরা বাপার বিভিন্ন কৃষি ও খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ প্রতিষ্ঠানে কাজ করছেন।

‘অ্যাসেট’ প্রকল্পের আওতায় খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ, বেকিং, খাদ্য সংরক্ষণ, মোড়কজাতকরণ যন্ত্র পরিচালনা, বিক্রয় ও খুচরা বিক্রয়ের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয় অংশগ্রহণকারীদের। এই প্রশিক্ষণে অগাস্ট পর্যন্ত মোট প্রশিক্ষণার্থীর মধ্যে নারী ২৬ হাজার ৯৬ জন ও পুরুষ ১৯ হাজার ৯৬০ জন।

অন্তর্ভুক্তিমূলক দক্ষতা উন্নয়নের আওতায় ৫৬ জন প্রতিবন্ধী ব্যক্তি ও ৫৫৮ জন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সদস্যও প্রশিক্ষণে অংশ নিয়েছেন। তাদের বেশিরভাগই ইতোমধ্যে চাকরিতে যুক্ত হয়েছেন।

ঢাকা ছাড়াও নরসিংদী, নাটোর, গাজীপুর, গোদাগাড়ী, হবিগঞ্জ, সিলেট, রাজশাহী, বরিশাল, চট্টগ্রাম, দিনাজপুর, রংপুর, বগুড়া, পাবনাসহ বিভিন্ন অঞ্চলেও এই প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। শিল্পের সঙ্গে উৎপাদন প্রক্রিয়া, যন্ত্রের ব্যবহার, কর্মক্ষেত্রের নিরাপত্তা ও মান নিয়ন্ত্রণ সম্পর্কে হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে।

বাপার সভাপতি মাহবুব আনাম বলেন, “অ্যাসেট প্রকল্পের প্রতিষ্ঠানভিত্তিক প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের মাধ্যমে দেশের কৃষি-খাদ্য ও খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্পের জন্য দক্ষ জনবল তৈরির একটি বড় সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। আমাদের আওতায় ৪৬ হাজারের বেশি প্রশিক্ষণার্থী প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করেছেন এবং মূল্যায়নে অংশ নেওয়া প্রশিক্ষণার্থীদের ৯৩ দশমিক ৫৪ শতাংশ দক্ষ হয়েছেন। তবে আমাদের মূল লক্ষ্য এই দক্ষতাকে বাস্তব কর্মসংস্থান, আত্মকর্মসংস্থান ও আয় বৃদ্ধিতে রূপান্তর করা।”