Published : 28 Jul 2024, 08:45 PM
চলমান কারফিউয়ের মধ্যে সেনাবাহিনীকে নিয়ে বিদেশি গণমাধ্যম ও সামাজিক মাধ্যমে ‘মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর অপপ্রচার’ চলছে জানিয়ে এক বার্তা দিয়েছে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর- আইএসপিআর।
এই অপপ্রচারে বিভ্রান্ত না হওয়ার আহ্বান জানিয়ে রোববার গণমাধ্যমে পাঠানো এই বার্তায় বলা হয়েছে, “জনগণের স্বার্থে ও রাষ্ট্রের যে কোনো প্রয়োজনে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সবসময় জনগণের পাশে আছে এবং থাকবে।”
সরকারি চাকরিতে কোটা নিয়ে আন্দোলনের মধ্যে গত ১৮ ও ১৯ জুলাই সহিংসতায় বহু প্রাণ ক্ষয় এবং রাষ্ট্রীয় সম্পদে হামলার মধ্যে সরকার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কারফিউ জারি করে।
২০ জুলাই থেকে সেনাবাহিনী এখনও মাঠে রয়েছে, তবে কোনো সংঘাত সহিংসতায় এই বাহিনীর সদস্যদের শক্তি প্রয়োগের কথা জানা যায়নি।
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, “আমি চ্যালেঞ্জ করে বলছি সেনাবাহিনী কোথাও একটা গুলিও ছোড়েনি।”
সেনা মোতায়েনের পর ধীরে ধীরে পরিস্থিতির উন্নতি হতে থাকে। রাজধানীর যাত্রাবাড়ী, রামপুরা, মোহাম্মদপুরের মত এলাকায় সংঘাত থামে।
কারফিউয়ের বিধিনিষেধও শিথিল হচ্ছে। প্রথম দিন দুই ঘণ্টা শিথিলের মেয়াদ ধীরে ধীরে বাড়িয়ে রাজধানীতে এখন করা হয়েছে ১১ ঘণ্টা।
সীমিত পরিসরে খুলেছে অফিস আদালত, পণ্য পরিবহন পরিস্থিতি অনেকটাই স্বাভাবিক হয়েছে, দূরপাল্লার বাস ও লঞ্চ চলাচলও শুরু হয়েছে। তবে ট্রেন চলাচল এখনও বন্ধ আছে।
আইএসপিআরের বার্তায় বলা হয়, “দেশব্যাপী ক্রম অবনতিশীল নিরাপত্তা পরিস্থিতিতে জনসাধারণের জানমাল ও সরকারি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাসমূহের সার্বিক নিরাপত্তা প্রদানে গত ২০ জুলাই ভোর হতে নিজ নিজ দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় সেনাবাহিনী মোতায়েন রয়েছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে অন্যান্য বাহিনীর পাশাপাশি সেনাবাহিনীর উপস্থিতি দ্রুত নৈরাজ্য প্রশমন করতে সাহায্য করে ।”
কিছু স্বার্থান্বেষী মহল কর্তৃক বিভিন্ন বিদেশি গণমাধ্যম ও সামজিক মাধ্যমে অপপ্রচার চালাচ্ছে জানিয়ে বলা হয়, “এই অপপ্রচারের মূল উদ্দেশ্য দেশে এবং বিদেশে সেনাবাহিনীর ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করা বলে অনুমিত।”