Published : 04 Jul 2025, 01:39 AM
জঙ্গি সম্পৃক্ততার অভিযোগে আটক ৩৬ বাংলাদেশির মধ্যে একটা অংশের বিচার মালয়েশিয়ার আদালতে হওয়ার কথা বলেছেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন। বাকীদের ফেরত পাঠানো হবে বাংলাদেশে।
বৃহস্পতিবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এ বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নে তিনি বলেন, “তাদের সন্ত্রাসবাদী সন্দেহে আটক করেছে, আমরা বিস্তারিত জানতে চেয়েছি তাদের কাছে। আশা করছি, দুই-চারদিনের মধ্যে জানতে পারব যে বাস্তবে তাদের বিষয়টা কী।
“কয়েকজনের বিরুদ্ধে বোধহয় তারা সুনির্দিষ্ট অভিযোগ (এনেছে), তাদের আদালতে বিচার সম্পন্ন হবে। একটু ফ্লুইড (পরিবর্তনশীল) আছে।”
বাকীদের ফেরত পাঠানোর তথ্য দিয়ে তৌহিদ হোসেন বলেন, “বেশ কিছুকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠিয়ে দেবে। স্বাভাবিকভাবে আমাদেরও চেক-আপ করতে হবে আসলে তাদের কতটুকু কি সম্পৃক্ততা আছে, কোন সংগঠনের সাথে, সেটা আমাদের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় দেখবে।”
সন্ত্রাসবাদের অভিযোগে তাদের আটক বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশিদের ভিসা প্রাপ্তির ক্ষেত্রে কতখানি প্রভাব ফেলবে, এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, “যে কোনো নেতিবাচক বিষয়ই ভিসা প্রক্রিয়ার ক্ষেত্রে প্রভাব ফেলে, ফেলবে না আমি এ কথা বলতে পারি না। আমাদের দেখতে হবে, আমরা সঠিক পদক্ষেপ যদি নিই, তাহলে সেটা (প্রভাব) কমিয়ে আনা যাবে।”
আটকদের বিষয়ে বাংলাদেশের করণীয় কী, এমন প্রশ্নে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, “আমাদের করণীয় হচ্ছে যে দেখা, এ ধরনের বিশেষ অপকর্মের সাথে জড়িত কি-না; যদি জড়িত হয়, তাদের ব্যাপারে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা; এ ধরনের ঘটনা যাতে না ঘটে, সেটার চেষ্টা করা।”
এক সপ্তাহ আগে চিঠি পাঠানো হলেও তা পাওয়া যাচ্ছে না কেন, এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, “এটা অনুমান কেন করব? সাধারণত একটা বিষয় জানতে চাইলে সপ্তাহ-১০ দিন সময় লাগে। এখনও এমন পর্যন্ত যায়নি যে, সময় কেন এত দেরি হয়ে গেছে…।”
মালয়েশিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাইফুদ্দিন নাসিউশন ইসমাইল এক বিবৃতিতে বলেছেন, গত ২৪ এপ্রিল থেকে সেলাঙ্গর ও জোহর রাজ্যে তিন ধাপে পরিচালিত এক অভিযানে তাদের আটক করা হয়।
২৭ জুন সিঙ্গাপুর ভিত্তিক সংবাদ মাধ্যম স্ট্রেইটস টাইমস জানিয়েছে, তাদের মধ্যে পাঁচজনের বিরুদ্ধে শাহ আলম ও জোহর বারুর আদালতে সন্ত্রাসবাদ সংশ্লিষ্ট অপরাধের অভিযোগ আনা হয়েছে।
এছাড়া ১৫ জনকে দেশে ফেরত পাঠানোর আদেশ দেওয়া হয়েছে। বাকি ১৬ জনের বিরুদ্ধে এখনো তদন্ত চলছে বলে জানিয়েছেন মালয়েশিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
আগের খবর: