১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩ আশ্বিন ১৪৩৩

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়: ১৫ জুলাইয়ের ঘটনায় আরেক মামলা

ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন, সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনানসহ ২২০ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে এবার।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়: ১৫ জুলাইয়ের ঘটনায় আরেক মামলা
সরকারি চাকরিতে কোটা নিয়ে শুরু হওয়া আন্দোলনের মধ্যে গত ১৫ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা করে ছাত্রলীগ। পরে এই আন্দোলন আরও বড় হয়ে সরকারের পতন ঘটায়।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 27 Oct 2024, 11:52 PM

Updated : 26 Aug 2026, 10:48 AM

গত ১৫ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের উপর হামলার ঘটনায় দ্বিতীয় দফায় ২২০ জনের নাম উল্লেখ করে শাহবাগ থানায় আরেকটি মামলা করা হয়েছে। এতে ১৫০ থেকে ২০০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে। 

রোববার সন্ধ্যায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক আরমান হোসাইন এ মামলা করেন। 

এতে ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন, সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতি মাজহারুল কবির শয়ন, সাধারণ সম্পাদক তানভির হাসান সৈকত, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ছাত্রলীগের সভাপতি রাজিবুল ইসলাম বাপ্পি ও সাধারণ সম্পাদক সজল কুণ্ডু, ঢাকা উত্তর ছাত্রলীগের সভাপতি রিয়াজ মাহমুদের নাম প্রথমদিকে উল্লেখ করা হয়েছে।

থানায় অভিযোগ জমা দিয়ে শাহবাগ থানার সামনে একটি সংবাদ সম্মেলনে মামলার বিষয়টি তুলে ধরা হয়। 

এসময় সমন্বয়ক আব্দুল কাদের, রিফাত রশীদ, হামজা মাহবুব, মোহাম্মদ মহিউদ্দীন উপস্থিত ছিলেন।

কাদের বলেন, “গত ২১ তারিখে আমরা একটি মামলা করেছিলাম। সেখানে যারা বাদ পড়েছে তাদের বিরুদ্ধে এবং যারা আন্দোলনের মূল উসকানিদাতা তাদেরকে অন্তর্ভুক্ত করে ২২০ জনের নামে আরেকটি একটি মামলা করেছি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক আরমান হোসেন মামলাটি করেছেন।” 

তিনি বলেন, “আইনগত পদক্ষেপের ক্ষেত্রে আপনারা সবাই এগিয়ে আসবেন। আপনারা যে যেভাবে সন্ত্রাসীদের হামলার শিকার হয়েছেন, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে মামলা দিন।”

আরমান হোসেন বলেন, “গত ১৫ জুলাই শিক্ষার্থীদের শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে আওয়ামী লীগ এবং ছাত্রলীগ নির্মম হামলা এবং আঘাত করেছে, এটা সবাই প্রত্যক্ষ করেছেন।“

হলে হলে কর্মসূচিতে অংশগ্রহণে যারা বাধা দিয়েছে তাদেরকেও এই মামলায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে জানিয়ে বলা হয়, “এজাহারে ১৯৮ থেকে ২২০ নম্বরে উল্লিখিতদের বাধাদানকারী হিসেবে আসামি করা হয়েছে।”