সংস্কার কমিশন: ‘অবৈতনিক’ সদস্যদের ‘ধন্যবাদের সঙ্গে’ স্মরণ করবে সরকার
আইয়ুব মিয়াকে ঐকমত্য কমিশনের সদস্য করে প্রজ্ঞাপন।
রাষ্ট্র সংস্কারের বিভিন্ন কমিশনে ‘অবৈতনিক’ ও ‘স্বেচ্ছাশ্রমের’ ভিত্তিতে কাজ করা ব্যক্তিদের ‘ধন্যবাদ’ জানিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
রোববারের ওই প্রজ্ঞাপনে পাঁচ কমিশন প্রধান ও বিভিন্ন কমিশনের ছয় সদস্যের নাম রয়েছে।
এ তালিকায় রয়েছেন- জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশন প্রধান আব্দুল মুয়ীদ চৌধুরী, নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার কমিশন প্রধান বদিউল আলম মজুমদার, শ্রম সংস্কার কমিশন প্রধান সৈয়দ সুলতান উদ্দিন আহমেদ, সংবিধান সংস্কার কমিশন প্রধান অধ্যাপক আলী রীয়াজ এবং দুর্নীতি দমন কমিশন সংস্কার কমিশন প্রধান ইফতেখারুজ্জামান।
জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশনের সদস্য অধ্যাপক আ কা ফিরোজ আহমেদ, শ্রম সংস্কার কমিশনের সদস্য তাসলিমা আখতার, সংবিধান সংস্কার কমিশনের সদস্য ইমরান সিদ্দিকী, শরীফ ভূঁইয়া, এম মঈন আলম ফিরোজী ও মো. মুস্তাইন বিল্লাহর নামও আছে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, এসব কমিশন প্রধান এবং সদস্যরা ‘অবৈতনিক’ ও ‘স্বেচ্ছাশ্রমের’ ভিত্তিতে কাজ করেছেন।
“সরকার তাদের এ সেবার ঘটনা ধন্যবাদের সঙ্গে স্মরণ করবে।”
অন্তর্বর্তী সরকার রাষ্ট্রের বিভিন্ন খাতে সংস্কারের জন্য অক্টোবর ও নভেম্বরে দুই ধাপে ১১টি সংস্কার কমিশন গঠন করে।
ওই সময় জানানো হয়, সংস্কার কমিশনের প্রধানরা আপিল বিভাগের বিচারপতির মর্যাদা, বেতন-ভাতা ও অন্যান্য সুবিধাদি পাবেন।
কমিশনগুলোর সদস্যদের মধ্যে যারা সরকারি চাকরিতে নিয়োজিত নয়, তারা কমিশনের প্রত্যেক সভায় অংশ নেওয়ার জন্য ১০ হাজার টাকা এবং সরকারি চাকরিতে নিয়োজিতরা প্রতি সভার জন্য ৫ হাজার টাকা সম্মানী পাবেন।
তবে কমিশন প্রধান বা কোনো সদস্য দায়িত্ব পালনের জন্য বেতন বা অন্য কোন সুযোগ-সুবিধা না নিতে চাইলে তা অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অনুমোদন করবেন।
ইতোমধ্যে এসব সংস্কার কমিশন সুপারিশসহ তাদের প্রতিবেদন প্রধান উপদেষ্টার কাছে জমা দিয়েছে।
এদিকে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সদস্যের তালিকায় মুয়ীদ চৌধুরীর জায়গায় আইয়ুব মিয়াকে যুক্ত করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে সরকার।
সোমবার জারি হওয়া মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এক প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশনের মোহাম্মদ আইয়ুব মিয়াকে ঐকমত্য কমিশনের ‘৩ নম্বর’ সদস্য হিসেবে ‘প্রতিস্থাপিত’ হবেন।
এর আগে ‘৩ নম্বর’ সদস্য ছিলেন জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশন প্রধান আব্দুল মুয়ীদ চৌধুরী।
