Published : 24 Jun 2026, 04:08 PM
ঢাকার কদমতলী এলাকায় মারধরে আহত এক যুবক চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন।
মো. রাসেল নামের ২৮ বছর বয়সী ওই যুবকের পরিবারের ভাষ্য, পূর্ব বিরোধের জেরে তাকে মারধর করে নদীর পাড়ে ফেলে রেখে যায় ‘মাদক কারবারীরা’। পরে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মঙ্গলবার রাতে রাসেলের মৃত্যু হয় বলে মেডিকেল পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক মো. ফারুক জানান।
হাসপাতালের নথি অনুযায়ী, রাসেলের বাড়ি নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা দক্ষিণ রসুলপুর এলাকায়। তার বাবার নাম আব্দুল মালেক।
কদমতলী থানার এসআই মুশাহিদুল ইসলাম বুধবার বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “রাসেলের মৃত্যুর আগে তার মা একটি এজাহার দায়ের করেছিলেন। এখন সেটি হত্যা মামলায় রূপান্তর করা হবে।”
মামলার এজাহারে বলা হয়, সোমবার রাতে আর্জেন্টিনার ফুটবল ম্যাচ দেখে কদমতলীর মুন্সিখোলা নদীর পাড় দিয়ে হেঁটে বাসায় ফিরছিলেন রাসেল। ওই সময় মো. হানিফ (৩০) ও তার সঙ্গে থাকা আরও দুই-তিনজন রড ও কাঠ দিয়ে তাকে এলোপাতাড়ি মারধর করে। একপর্যায়ে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে নদীর পাড়ে ফেলে রেখে চলে যায় তারা।
নিহতের মা মাকসুদা বেগম বলছেন, এলাকায় মাদক ব্যবসাকে কেন্দ্র করে হানিফের সঙ্গে রাসেলের দীর্ঘদিনের বিরোধ ছিল।
“হানিফ এলাকায় মাদক ব্যবসা করত। রাসেল অনেক আগে তার মাদক ব্যবসায় বাধা দিয়েছিল। এ নিয়ে তাদের মধ্যে বিরোধ ছিল। সেই বিরোধের জেরেই আমার ছেলেকে মারধর করে নদীর পাড়ে ফেলে রাখা হয়।”
মাদক কারবারের অভিযোগ নিয়ে প্রশ্ন করলে এসআই মুশাহিদুল বলেন, “অভিযোগ আমরা খতিয়ে দেখছি। আসামি পলাতক রয়েছে। তাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।”
তবে কদমতলী থানার ওসি শেখ আশরাফুজ্জামান বলেন, “এটি মারামারির একটি ঘটনা। ভুক্তভোগীর পরিবার মামলা করেছে। সেই মামলায় মাদকের বিষয়টি উল্লেখ ছিল না।”